রণেশ মৈত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় মানুষের শ্রদ্ধা
jugantor
রণেশ মৈত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় মানুষের শ্রদ্ধা

  পাবনা প্রতিনিধি  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৪২:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভাষাসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুক্রবার বিকালে পাবনার শালগাড়িয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে।

গত সোমবার রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুপুর ২টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য প্রয়াত রণেশ মৈত্রের মরদেহ পাবনার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানসূচক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি, জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী, জেলা পরিষদের প্রশাসক রেজাউল রহিম লালসহ রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, রণেশ মৈত্রর মৃত্যুতে পাবনার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিকতায় যে অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।

১৯৩৩ সালের ৪ অক্টোবর তার মাতামহের চাকরিস্থল রাজশাহী জেলার ন’হাটা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আজীবন সংগ্রামী রণেশ মৈত্র। বাবা রমেশ চন্দ্র ছিলেন পাবনার আতাইকুলা থানার ভুলবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তৎকালীন জেলা প্রশাসক নুরুল কাদের খান জেলার প্রগতিশীল বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করেন। সেই কমিটিতে রণেশ মৈত্র ছিলেন একজন অন্যতম সদস্য।

রণেশ মৈত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় মানুষের শ্রদ্ধা

 পাবনা প্রতিনিধি 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভাষাসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুক্রবার বিকালে পাবনার শালগাড়িয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে। 

গত সোমবার রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুপুর ২টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য প্রয়াত রণেশ মৈত্রের মরদেহ পাবনার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানসূচক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। 

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি, জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী, জেলা পরিষদের প্রশাসক রেজাউল রহিম লালসহ রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, রণেশ মৈত্রর মৃত্যুতে পাবনার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিকতায় যে অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়। 

১৯৩৩ সালের ৪ অক্টোবর তার মাতামহের চাকরিস্থল রাজশাহী জেলার ন’হাটা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আজীবন সংগ্রামী রণেশ মৈত্র। বাবা রমেশ চন্দ্র ছিলেন পাবনার আতাইকুলা থানার ভুলবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তৎকালীন জেলা প্রশাসক নুরুল কাদের খান জেলার প্রগতিশীল বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করেন। সেই কমিটিতে রণেশ মৈত্র ছিলেন একজন অন্যতম সদস্য। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন