গুলি করে যুবলীগ নেতাকে হত্যা
jugantor
গুলি করে যুবলীগ নেতাকে হত্যা

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫২:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলাউদ্দিন পাটওয়ারী (৪৫) নামে এক যুবলীগ নেতা মারা গেছেন। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পদ্মা দিঘিরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি জড়িত রয়েছে বলে দাবি করেছে জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা।

এদিকে আলাউদ্দিনকে হত্যার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতাল থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের উত্তর তেমুহনি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

নিহত আলাউদ্দিন বশিকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ও একই ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের সাদেক পাটওয়ারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলাউদ্দিন বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান কাশেম জিহাদীর চাচাতো ভাই। তিনি কাশেম জিহাদীর সহযোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামছুল ইসলাম পাটওয়ারী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল মাহমুদ মান্না ও যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম ভুলু হাসপাতালে এসে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

স্বজনরা জানায়, আলাউদ্দিন মোটরসাইকেলযোগে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পোদ্দার দিঘির পাড়ে পৌঁছলে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে পাশের একটি পুকুরে পায়। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে পোদ্দার বাজারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

নিহতের চাচা জামাল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে আলাউদ্দিন মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে কথা বলছিলেন। পাশের বাগানে অন্ধকারে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাকে হত্যা করে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কমলা শীষ রায় বলেন, আমরা আলাউদ্দিনকে মৃত পেয়েছি। তার বুকে ছররা গুলির চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি দাবি করেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির লোকজন জড়িত রয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছে। এ হত্যাকাণ্ড তারা ঘটিয়েছে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা ফের তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাব। এরপর বিস্তারিত বলা যাবে।

গুলি করে যুবলীগ নেতাকে হত্যা

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলাউদ্দিন পাটওয়ারী (৪৫) নামে এক যুবলীগ নেতা মারা গেছেন। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পদ্মা দিঘিরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি জড়িত রয়েছে বলে দাবি করেছে জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা। 

এদিকে আলাউদ্দিনকে হত্যার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতাল থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের উত্তর তেমুহনি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। 

নিহত আলাউদ্দিন বশিকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ও একই ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের সাদেক পাটওয়ারীর ছেলে। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলাউদ্দিন বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান কাশেম জিহাদীর চাচাতো ভাই। তিনি কাশেম জিহাদীর সহযোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামছুল ইসলাম পাটওয়ারী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল মাহমুদ মান্না ও যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম ভুলু হাসপাতালে এসে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

স্বজনরা জানায়, আলাউদ্দিন মোটরসাইকেলযোগে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পোদ্দার দিঘির পাড়ে পৌঁছলে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে পাশের একটি পুকুরে পায়। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে পোদ্দার বাজারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।  

নিহতের চাচা জামাল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে আলাউদ্দিন মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে কথা বলছিলেন। পাশের বাগানে অন্ধকারে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাকে হত্যা করে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। 

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কমলা শীষ রায় বলেন, আমরা আলাউদ্দিনকে মৃত পেয়েছি। তার বুকে ছররা গুলির চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি দাবি করেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির লোকজন জড়িত রয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছে। এ হত্যাকাণ্ড তারা ঘটিয়েছে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা ফের তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাব। এরপর বিস্তারিত বলা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন