দুই সন্তান বিক্রি, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে মারধর
jugantor
দুই সন্তান বিক্রি, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে মারধর

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২২, ২২:৩৩:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জেরভৈরবে দুই সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রী শেফালী বেগমকে (৪১) মারধর করে গুরুতর আহত করেছে স্বামী শেখ খলিলুর রহমান। ঘটনার পর পুলিশ তার স্বামীকে গ্রেফতার করে। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে শহরের পঞ্চবটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শেফালীর অভিযোগ, তার স্বামী তার দুই শিশুকে দুইবারে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। তারা শহরের পঞ্চবটি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে। তবে তাদের দুজনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায়।

অভিযোগকারী শেফালী বেগম বলেন, আমার স্বামী ২০২১ সালে তাদের শিশুসন্তান আবদুল্লাকে ২ লাখ টাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় বিক্রি করে দেয়। এরপর গত দেড় মাস আগে আমার আরও এক শিশুসন্তান জলিলকে আখাউড়ার মাজারসংলগ্ন এলাকায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এ নিয়ে গত কিছুদিন যাবত স্বামীর সাথে আমার ঝগড়া চলছিল। সন্তান কার কাছে কোথায় বিক্রি করেছে এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করলে দুপুরে আমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আমি গুরুতর আহত হই। পরে উপায় না পেয়ে পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে এসে তাকে আটক করে।

স্বামী খলিলুর রহমান বলেন, দুটি সন্তান আমার নয়। স্ত্রী শেফালীর চরিত্র ভালো না। সে বিভিন্ন পুরুষের সাথে মেলামেশা করে দুটি সন্তান জন্ম দিয়েছে। এখন শেফালীর কোলে যে সন্তান আছে এই সন্তানটি আমার। আগে অবৈধভাবে জন্ম নেওয়া দুটি সন্তান আমি বিক্রি করে দিয়েছি। সন্তান বিক্রির টাকার একটি অংশ তাকে দিয়েছি। টাকা পেয়েও সে আগের সন্তানের খোঁজ করে এবং আমাকে বকাঝকাসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। এ কারণে রাগে তাকে আজ মারধর করেছি। তার চরিত্র ভালো না।

ভৈরব শহর ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান জানান, স্বামী খলিলুর রহমান একজন ভবঘুরে ও প্রতারক। সে সবসময় মাজারে মাজারে ঘোরে বলে এলাকাবাসী জানান। তারা একেক সময় একেক কথা বলে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে একবার বলে সন্তান বিক্রি করেছে, আবার বলে বিক্রি করেনি। আজ দুপুরে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামীকে আটক করি। শেফালী থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

দুই সন্তান বিক্রি, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে মারধর

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২২, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুই সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রী শেফালী বেগমকে (৪১) মারধর করে গুরুতর আহত করেছে স্বামী শেখ খলিলুর রহমান। ঘটনার পর পুলিশ তার স্বামীকে গ্রেফতার করে। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে শহরের পঞ্চবটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শেফালীর অভিযোগ, তার স্বামী তার দুই শিশুকে দুইবারে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। তারা শহরের পঞ্চবটি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে। তবে তাদের দুজনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায়।

অভিযোগকারী শেফালী বেগম বলেন, আমার স্বামী ২০২১ সালে তাদের শিশুসন্তান আবদুল্লাকে ২ লাখ টাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় বিক্রি করে দেয়। এরপর গত দেড় মাস আগে আমার  আরও এক শিশুসন্তান জলিলকে আখাউড়ার মাজারসংলগ্ন এলাকায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এ নিয়ে গত কিছুদিন যাবত স্বামীর সাথে আমার ঝগড়া চলছিল। সন্তান কার কাছে কোথায় বিক্রি করেছে এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করলে দুপুরে আমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আমি গুরুতর আহত হই। পরে উপায় না পেয়ে পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে এসে তাকে আটক করে।

স্বামী খলিলুর রহমান বলেন, দুটি সন্তান আমার নয়। স্ত্রী শেফালীর চরিত্র ভালো না। সে বিভিন্ন পুরুষের সাথে মেলামেশা করে দুটি সন্তান জন্ম দিয়েছে। এখন শেফালীর কোলে যে সন্তান আছে এই সন্তানটি আমার। আগে অবৈধভাবে  জন্ম নেওয়া দুটি সন্তান আমি বিক্রি করে দিয়েছি। সন্তান বিক্রির টাকার একটি অংশ তাকে দিয়েছি। টাকা পেয়েও সে আগের সন্তানের খোঁজ করে এবং  আমাকে বকাঝকাসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। এ কারণে রাগে তাকে আজ মারধর করেছি। তার চরিত্র ভালো না।

ভৈরব শহর ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান জানান, স্বামী খলিলুর রহমান একজন ভবঘুরে ও প্রতারক। সে সবসময় মাজারে মাজারে ঘোরে বলে এলাকাবাসী জানান। তারা একেক সময় একেক কথা বলে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে একবার বলে সন্তান বিক্রি করেছে, আবার বলে বিক্রি করেনি। আজ দুপুরে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামীকে আটক করি। শেফালী থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন