ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
jugantor
ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

  রংপুর ব্যুরো ও তারাগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২২, ২১:৩৯:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের তারাগঞ্জে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মিঠুন শেখ সবুজ নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই মামলায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ এর বিচারক এম আলী আহম্মেদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিঠুন শেখ রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোলাপপুর শেখের হাট (আদর্শপাড়া) গ্রামের মোজাহার শেখের ছেলে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর বিকালে কিশোরীর বাবা ও মা অসুস্থ স্বজনকে দেখতে রংপুর মেডিকেলে যান। এ সংবাদ পেয়ে মিঠুন তার সমবয়সী ৪ জনকে সঙ্গে নিয়ে বদরগঞ্জ থেকে তারাগঞ্জে আসেন। ওই দিন রাত পৌনে ১০টার দিকে আসামী মিঠুন শেখ সবুজ কিশোরীকে তার বাড়ির পেছনে নির্জন স্থানে আসতে বলেন। মিঠুনের কথামতো কিশোরী সেখানে আসা মাত্রই মিঠুন জোর করে পাশের পুকুরপাড়ে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় মিঠুনসহ তার সহপাঠীরা।

পরে কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর কিশোরীর বাবা তারাগঞ্জ থানায় অভিযুক্ত মিঠুনসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই রাতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে মূলহোতা মিঠুনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে দেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৯ মে আদালত দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ৩০ আগস্ট মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি তাজিবুর রহমান লাইজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক মিঠুন শেখ সবুজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া অপর ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বাদীপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন।

ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

 রংপুর ব্যুরো ও তারাগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের তারাগঞ্জে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মিঠুন শেখ সবুজ নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই মামলায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ এর বিচারক এম আলী আহম্মেদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিঠুন শেখ রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোলাপপুর শেখের হাট (আদর্শপাড়া) গ্রামের মোজাহার শেখের ছেলে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর বিকালে কিশোরীর বাবা ও মা অসুস্থ স্বজনকে দেখতে রংপুর মেডিকেলে যান। এ সংবাদ পেয়ে মিঠুন তার সমবয়সী ৪ জনকে সঙ্গে নিয়ে বদরগঞ্জ থেকে তারাগঞ্জে আসেন। ওই দিন রাত পৌনে ১০টার দিকে আসামী মিঠুন শেখ সবুজ কিশোরীকে তার বাড়ির পেছনে নির্জন স্থানে আসতে বলেন। মিঠুনের কথামতো কিশোরী সেখানে আসা মাত্রই মিঠুন জোর করে পাশের পুকুরপাড়ে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় মিঠুনসহ তার সহপাঠীরা।

পরে কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর কিশোরীর বাবা তারাগঞ্জ থানায় অভিযুক্ত মিঠুনসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই রাতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে মূলহোতা মিঠুনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে দেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৯ মে আদালত দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ৩০ আগস্ট মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি তাজিবুর রহমান লাইজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক মিঠুন শেখ সবুজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া অপর ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বাদীপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন