জনবল সংকটেও সেবা দিয়ে যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ কর সার্কেল
jugantor
জনবল সংকটেও সেবা দিয়ে যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ কর সার্কেল

  মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩৫:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দিন দিন বেড়েই চলছে মুন্সীগঞ্জে করদাতার সংখ্যা, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক জনবল নিয়েও করদাতাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস।

৫টি সার্কেলে ৫২ কর্মী থাকার কথা থাকলেও ২৭ জনকে দিয়ে চালাচ্ছে আয়কর অফিস। তার ওপর চলছে মাসব্যাপী আয়কর তথ্যসেবা মাস।

এ মাসে লোকবল কম থাকায় হিমসিম খেতে হচ্ছে কর্মকতাদের। তার পরও করদাতারা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের কর দিতে পারে, তাই দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

নভেম্বরের মধ্যে পুরাতন করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় এবং একই সময় আয়কর তথ্যসেবা মাস, তাই দিন যত ঘনিয়ে আসছে মুন্সীগঞ্জে করদাতাদের ভিড় তত বেড়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হিমসিম খেলেও সেবা পেয়ে খুশি করদাতারা।

আয়কর তথ্যসেবা মাস চলাকালে গত বছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে করদাতার সংখ্যা কিছুটা কম হলেও কর আদায় হয়েছে বেশি।

ভালো মানের আয়কর উপদেষ্টা ও অফিসের জনবল বেশি থাকলে রাজস্ব আদায় হতো দ্বিগুণ।

সহকারী কর কমিশনার শেখ আলী হাসান জানান, মুন্সীগঞ্জ কর কার্যালয়ে চলছে আয়কর তথ্যসেবা মাস। এ উপলক্ষ্যে করদাতারা এখানে এসে ২০২২-২৩ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন।

ইতিপূর্বে যারা রিটার্ন দাখিল করতেন না, তারা এখন স্ব-উদ্যোগে রিটার্ন দাখিল করতে আসছেন। সঞ্চয়পত্র ক্রেতাই নন, যারা আছেন তাদের অন্যান্য অনেক ইনকাম রয়েছে, সেই ইনকামগুলোর করও এ বছরই আমরা পাচ্ছি।

যার কারণে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও আমরা এখন পর্যন্ত অনেক বেশি কর আদায় করেছি।

মাসের বাকি দিনগুলোতে করদাতার সংখ্যা অনেক বাড়বে। গত অর্থবছরের তুলনায় এই অর্থবছরে আয়কর আদায়ের হার অনেক বেড়ে যাবে।

জনবল সংকটেও সেবা দিয়ে যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ কর সার্কেল

 মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিন দিন বেড়েই চলছে মুন্সীগঞ্জে করদাতার সংখ্যা, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক জনবল নিয়েও করদাতাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস।

৫টি সার্কেলে ৫২ কর্মী থাকার কথা থাকলেও ২৭ জনকে দিয়ে চালাচ্ছে আয়কর অফিস। তার ওপর চলছে মাসব্যাপী আয়কর তথ্যসেবা মাস।

এ মাসে লোকবল কম থাকায় হিমসিম খেতে হচ্ছে কর্মকতাদের। তার পরও করদাতারা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের কর দিতে পারে, তাই দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

নভেম্বরের মধ্যে পুরাতন করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় এবং একই সময় আয়কর তথ্যসেবা মাস, তাই দিন যত ঘনিয়ে আসছে মুন্সীগঞ্জে করদাতাদের ভিড় তত বেড়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হিমসিম খেলেও সেবা পেয়ে খুশি করদাতারা।

আয়কর তথ্যসেবা মাস চলাকালে গত বছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে করদাতার সংখ্যা কিছুটা কম হলেও কর আদায় হয়েছে বেশি।

ভালো মানের আয়কর উপদেষ্টা ও অফিসের জনবল বেশি থাকলে রাজস্ব আদায় হতো দ্বিগুণ।

সহকারী কর কমিশনার শেখ আলী হাসান জানান, মুন্সীগঞ্জ কর কার্যালয়ে চলছে আয়কর তথ্যসেবা মাস। এ উপলক্ষ্যে করদাতারা এখানে এসে ২০২২-২৩ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন।

ইতিপূর্বে যারা রিটার্ন দাখিল করতেন না, তারা এখন স্ব-উদ্যোগে রিটার্ন দাখিল করতে আসছেন। সঞ্চয়পত্র ক্রেতাই নন, যারা আছেন তাদের অন্যান্য অনেক ইনকাম রয়েছে, সেই ইনকামগুলোর করও এ বছরই আমরা পাচ্ছি।

যার কারণে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও আমরা এখন পর্যন্ত অনেক বেশি কর আদায় করেছি।

মাসের বাকি দিনগুলোতে করদাতার সংখ্যা অনেক বাড়বে। গত অর্থবছরের তুলনায় এই অর্থবছরে আয়কর আদায়ের হার অনেক বেড়ে যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন