দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ত্যাগ, আবার ভাইরাল সেই নেতা
jugantor
দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ত্যাগ, আবার ভাইরাল সেই নেতা

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২৯ নভেম্বর ২০২২, ২০:৩৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

দলে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়া কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সেই নেতা আরমিন আহমেদের ফেসবুক ভিডিও লাইভ আবার মিডিয়া-সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। বেধড়ক মারধরে রক্তাক্ত জখমের শিকার আরমিন আহমেদ বর্তমানে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে দলত্যাগের ও হামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার বর্ণনা দেন। আর এ ভিডিও লাইভটিও মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে ওঠে।

তিনি এ ফেসবুক লাইভে দাবি করেন- জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা লোকজনের ছাত্রলীগের নেতৃত্ব মেনে নিতে পারিনি বলে আমি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। তবে আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। আমার ওপর হামলার ঘটনার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে বিচার চাই।

উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাইপাস সড়ক এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।‘তুই নাকি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়তে চাস, তোকে খুন করে ফেলব’- এমন সব কথা বলে হামলাকারীরা চাপাতি, লোহার পাইপ ও হকিস্টিক নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আরমিন আহমেদ।

জানা গেছে, আরমিন আহমেদ পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের বড়বাড়ি এলাকার অধিবাসী। তিনি পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ৬ অক্টোবর রাজনীতির ইতি টেনেছেন মো. আরমিন আহমেদ। ওই রাত ১০টার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন আরমিন। মুহূর্তের মধ্যেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলেও ঘুরপাক খায়।

হামলায় গুরুতর আহত আরমিন আহমেদকে উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

যোগাযোগ করা হলে পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাহিদ হাসান সুমন যুগান্তরকে এ হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ না আসায় কে বা কারা এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন না। তবে আরমিন আহমেদ বর্তমানে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ত্যাগ, আবার ভাইরাল সেই নেতা

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দলে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়া কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সেই নেতা আরমিন আহমেদের ফেসবুক ভিডিও লাইভ আবার মিডিয়া-সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। বেধড়ক মারধরে রক্তাক্ত জখমের শিকার আরমিন আহমেদ বর্তমানে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে দলত্যাগের ও হামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার বর্ণনা দেন। আর এ ভিডিও লাইভটিও মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে ওঠে। 

তিনি এ ফেসবুক লাইভে দাবি করেন- জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা লোকজনের ছাত্রলীগের নেতৃত্ব মেনে নিতে পারিনি বলে আমি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। তবে আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। আমার ওপর হামলার ঘটনার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে বিচার চাই।

উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাইপাস সড়ক এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।‘তুই নাকি দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ ছাড়তে চাস, তোকে খুন করে ফেলব’- এমন সব কথা বলে হামলাকারীরা চাপাতি, লোহার পাইপ ও হকিস্টিক নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আরমিন আহমেদ।

জানা গেছে, আরমিন আহমেদ পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের বড়বাড়ি এলাকার অধিবাসী। তিনি পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ৬ অক্টোবর রাজনীতির ইতি টেনেছেন মো. আরমিন আহমেদ। ওই রাত ১০টার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন আরমিন। মুহূর্তের মধ্যেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলেও ঘুরপাক খায়।

হামলায় গুরুতর আহত আরমিন আহমেদকে উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

যোগাযোগ করা হলে পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাহিদ হাসান সুমন যুগান্তরকে এ হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ না আসায় কে বা কারা এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন না। তবে আরমিন আহমেদ বর্তমানে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন