কবরস্থানে পোশাককর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫
jugantor
কবরস্থানে পোশাককর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

  টঙ্গী পূর্ব (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২২, ২২:৩৭:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গীতে কবরস্থানের ভেতর এক পোশাককর্মীকে (১৯) গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে টঙ্গীর মরকুন কবরস্থানের ভেতর এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নির্যাতিতা ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আমজাদ শরিফ মারধরের শিকার হয়েছেন। পরে আহত পুলিশ সদস্যকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গাজীপুর পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকায় পুলিশ চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার মদনেরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে বাবুল হোসেন বাবুকে (২৭) ও টঙ্গীর মরকুন এলাকার লুৎফর রহমান কালুর ছেলে আসাদুজ্জামান শাওনকে (২৮) গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় মৃত হযরত আলীর ছেলে রিপন মিয়া (৪০) পলাতক রয়েছেন।

টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই ইয়াছিন আরাফাত জানান, নির্যাতিতা ওই নারী টঙ্গী বিসিকের একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর পদে কাজ করতেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গণধর্ষণের অভিযোগে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই অভিযান চালালে পলাতকদের পরিবারের সদস্যরা মরকুন এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল আমজাদ শরিফকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় পর দিন বুধবার পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ১২ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে মরকুন এলাকা থেকে লুৎফর রহমান কালু (৬০) তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৫) ও সনি আক্তার রিয়াকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নির্যাতিতা নারী বলেন, প্রায় সাত মাস আগে শাওনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় আমার। তারপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে শাওন বিয়ের প্রলোভন দেখালে তার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়াই। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফোন করে শাওন তার বাসায় যেতে বলে। এ সময় তার বাসায় যাওয়ার পথে মরকুন কবরস্থানের সামনে গেলে শাওনের বন্ধু বাবু ও রিপন আমার মুখে গামছা চেপে কবরস্থানের ভেতরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে আমার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বাবুকে আটক করলেও রিপন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আমি মামলা করেছি।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো.আশরাফুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ ও পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পৃথক দুইটি ঘটনায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতকদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কবরস্থানে পোশাককর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

 টঙ্গী পূর্ব (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গীতে কবরস্থানের ভেতর এক পোশাককর্মীকে (১৯) গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে টঙ্গীর মরকুন কবরস্থানের ভেতর এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নির্যাতিতা ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আমজাদ শরিফ মারধরের শিকার হয়েছেন। পরে আহত পুলিশ সদস্যকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গাজীপুর পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকায় পুলিশ চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার মদনেরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে বাবুল হোসেন বাবুকে (২৭) ও টঙ্গীর মরকুন এলাকার লুৎফর রহমান কালুর ছেলে আসাদুজ্জামান শাওনকে (২৮) গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় মৃত হযরত আলীর ছেলে রিপন মিয়া (৪০) পলাতক রয়েছেন।

টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই ইয়াছিন আরাফাত জানান, নির্যাতিতা ওই নারী টঙ্গী বিসিকের একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর পদে কাজ করতেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গণধর্ষণের অভিযোগে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই অভিযান চালালে পলাতকদের পরিবারের সদস্যরা মরকুন এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল আমজাদ শরিফকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় পর দিন বুধবার পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায়  এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ১২ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে মরকুন এলাকা থেকে লুৎফর রহমান কালু (৬০) তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৫) ও  সনি আক্তার রিয়াকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নির্যাতিতা নারী বলেন, প্রায় সাত মাস আগে শাওনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় আমার। তারপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে শাওন বিয়ের প্রলোভন দেখালে তার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়াই। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফোন করে শাওন তার বাসায় যেতে বলে। এ সময় তার বাসায় যাওয়ার পথে মরকুন কবরস্থানের সামনে গেলে শাওনের বন্ধু বাবু ও রিপন আমার মুখে গামছা চেপে কবরস্থানের ভেতরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে আমার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বাবুকে আটক করলেও রিপন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আমি মামলা করেছি।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো.আশরাফুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ ও পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পৃথক দুইটি ঘটনায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতকদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন