কাশিমপুরে এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর
jugantor
কাশিমপুরে এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬:৩৪:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ফাঁসি হওয়া ওই ব্যক্তি হলেন- মাদারীপুরের শিবচর থানার বাহাদুরপুর এলাকার আ. বারেক হাওলাদারের ছেলে কামাল ওরফে এক্সেল কামাল (৪৭)। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতয়ালেরবাগ এলাকায় থাকতেন।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় ২০০৬ সালে জেলা দায়রা জজ আদালত কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন দায়ের করলে রিভিউ পিটিশনও গত ২৮ এপ্রিল খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। সবশেষে আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে গত ১ নভেম্বর তা নামঞ্জুর হয়। পরে বুধবার রাতে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দি আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুরে এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। 

বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ফাঁসি হওয়া ওই ব্যক্তি হলেন- মাদারীপুরের শিবচর থানার বাহাদুরপুর এলাকার আ. বারেক হাওলাদারের ছেলে কামাল ওরফে এক্সেল কামাল (৪৭)। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতয়ালেরবাগ এলাকায় থাকতেন।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় ২০০৬ সালে জেলা দায়রা জজ আদালত কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন দায়ের করলে রিভিউ পিটিশনও গত ২৮ এপ্রিল খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। সবশেষে আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে গত ১ নভেম্বর তা নামঞ্জুর হয়। পরে বুধবার রাতে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দি আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন