রাজশাহী কারাগারে হত্যা মামলার আসামির ফাঁসি কার্যকর
jugantor
রাজশাহী কারাগারে হত্যা মামলার আসামির ফাঁসি কার্যকর

  রাজশাহী ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬:৩৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বুধবার দিনগত রাত ১০টা ১ মিনিটে রকিবুর রহমান ওরফে ওকিবুর নামের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই কয়েদির সাজা কার্যকর হয়।

রকিবুর রহমান ওরফে ওকিবুর রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর রকিবুরের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে খোরশেদা খাতুন নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার পরদিন সাতজনকে আসামি করে গোদাগাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন রকিবুর।

মামলাটির বিচার শেষে ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট রাজশাহী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রকিবুরসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রকিবুর উচ্চ আদালতে আপিল করলেও তাতে আগের রায়ই বহাল থাকে। সম্প্রতি জীবন ভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতি কাছে আবেদন করেছিলেন। তবে তাও নাকচ হয়ে যায়। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার রাতে রকিবুরের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

রাজশাহী কারাগারে হত্যা মামলার আসামির ফাঁসি কার্যকর

 রাজশাহী ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বুধবার দিনগত রাত ১০টা ১ মিনিটে রকিবুর রহমান ওরফে ওকিবুর নামের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই কয়েদির সাজা কার্যকর হয়।

রকিবুর রহমান ওরফে ওকিবুর রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর রকিবুরের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে খোরশেদা খাতুন নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার পরদিন সাতজনকে আসামি করে গোদাগাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন রকিবুর।

মামলাটির বিচার শেষে ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট রাজশাহী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রকিবুরসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রকিবুর উচ্চ আদালতে আপিল করলেও তাতে আগের রায়ই বহাল থাকে। সম্প্রতি জীবন ভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতি কাছে আবেদন করেছিলেন। তবে তাও নাকচ হয়ে যায়। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার রাতে রকিবুরের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন