কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি
jugantor
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩:০৫:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলামকে একদল সন্ত্রাসী প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, কেশবপুর শহরের আলমগীর সিদ্দিকী টিটুসহ ১১ মামলার আসামি জামাল তার বাহিনী নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসের সামনের চত্বরে তাকে ঘেরাও করে। এ সময় টিটু তার কাছে কৈফিয়ত চায় বিভিন্ন জনসভায় তাকে নিয়ে কেন অপমানজনক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। জবাবে তিনি বলেন, টিটুর মায়ের নামে নাশকতার মামলা রয়েছে। তিনি জামায়াতের মহিলা রোকন। তাছাড়া তিনি নিয়োগ বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

এ কথা বলার পর টিটু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বাবা-মাকে নিয়ে কটূক্তি করে। তাকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেন উপস্থিত হলে দুর্বৃত্তরা চলে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।

কেশবপুর থানার অফিসার ইসচার্জ (ওসি) মো. মফিজুর রহমান বলেন, তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি মোবাইল নম্বরে বারবার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে আলমগীর সিদ্দিক টিটু নিজেকে যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য দাবি করে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়েছেন। তার কোনো বাহিনী নেই। তার মা জামায়াত করেন ঠিক; তবে উপজেলা চেয়ারম্যান দল থেকে বহিষ্কৃত বলে জানান।

কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলামকে একদল সন্ত্রাসী প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, কেশবপুর শহরের আলমগীর সিদ্দিকী টিটুসহ ১১ মামলার আসামি জামাল তার বাহিনী নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসের সামনের চত্বরে তাকে ঘেরাও করে। এ সময় টিটু তার কাছে কৈফিয়ত চায় বিভিন্ন জনসভায় তাকে নিয়ে কেন অপমানজনক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। জবাবে তিনি বলেন, টিটুর মায়ের নামে নাশকতার মামলা রয়েছে। তিনি জামায়াতের মহিলা রোকন। তাছাড়া তিনি নিয়োগ বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

এ কথা বলার পর টিটু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বাবা-মাকে নিয়ে কটূক্তি করে। তাকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেন উপস্থিত হলে দুর্বৃত্তরা চলে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।

কেশবপুর থানার অফিসার ইসচার্জ (ওসি) মো. মফিজুর রহমান বলেন, তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি মোবাইল নম্বরে বারবার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে আলমগীর সিদ্দিক টিটু নিজেকে যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য দাবি করে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়েছেন। তার কোনো বাহিনী নেই। তার মা জামায়াত করেন ঠিক; তবে উপজেলা চেয়ারম্যান দল থেকে বহিষ্কৃত বলে জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন