বগুড়ায় কলেজ ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির ওপর হামলা, আহত ৭
jugantor
বগুড়ায় কলেজ ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির ওপর হামলা, আহত ৭

  বগুড়া ব্যুরো  

০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:১৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ চত্বরে জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের ওপর পদবঞ্চিতরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে অধ্যক্ষের বাসভবনের কাছে এ হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত ও ১৫টি মোটরসাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় দেশীয় অস্ত্র ছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ করেছে দু’পক্ষই। তারা এ হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করে।

রোববার বিকালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয় ও প্রত্যক্ষদর্শী নেতাকর্মীরা জানান, সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শাজাহান আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি, সংগঠনের সভাপতি সজীব সাহা ও নেতাকর্মীরা কলেজে যান। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষের সঙ্গে আলাপ করার সময় কাঙ্ক্ষিত পদবঞ্চিত সহ-সভাপতি তৌহিদর রহমান ও মাহফুজার রহমানের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন ধারালো আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকেন। তারা অধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে থাকা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।

হামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সরকারি শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান সাব্বির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নূর আলম, আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রিমন রহমান প্রমুখ আহত হন। এদের মধ্যে আতিককে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল ও সাব্বিরকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে নতুন কমিটির সহ-সভাপতি ও আন্দোলনরত পদবঞ্চিত নেতা মাহফুজার রহমান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কয়েক দিন আগে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবির নেতাকর্মীদের ধাওয়া করা হয়। তারা এর প্রতিশোধ নিতে শনিবার রাত ৯টার দিকে ক্যাম্পাসে আসেন। এমন খবর পেয়ে তাদের প্রতিহত করতে আমরা সেখানে যাই। তিনি দাবি করেন, এ সময় আমাদের ওপর দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়েছে।

সদর থানার এসআই মঞ্জুরুল হক ভুঞা জানান, খবর পেয়ে রাতেই ফোর্স ক্যাম্পাসে যায়। এর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী জানান, তার বাসভবনের বাইরে বহিরাগতরা এসে গণ্ডগোল করেছে। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা জানান, রোববার বিকাল পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সূত্র জানায়, গত ৭ নভেম্বর বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩০ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে একটি অংশ আন্দোলন শুরু করে। তারা দলীয় কার্যালয়ে তালা, নেতাদের কুশপুত্তলিকা দাহ, প্রতিবাদ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

বগুড়ায় কলেজ ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির ওপর হামলা, আহত ৭

 বগুড়া ব্যুরো 
০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ চত্বরে জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের ওপর পদবঞ্চিতরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে অধ্যক্ষের বাসভবনের কাছে এ হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত ও ১৫টি মোটরসাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় দেশীয় অস্ত্র ছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ করেছে দু’পক্ষই। তারা এ হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করে।

রোববার বিকালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয় ও প্রত্যক্ষদর্শী নেতাকর্মীরা জানান, সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শাজাহান আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি, সংগঠনের সভাপতি সজীব সাহা ও নেতাকর্মীরা কলেজে যান। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষের সঙ্গে আলাপ করার সময় কাঙ্ক্ষিত পদবঞ্চিত সহ-সভাপতি তৌহিদর রহমান ও মাহফুজার রহমানের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন ধারালো আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকেন। তারা অধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে থাকা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।

হামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সরকারি শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান সাব্বির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নূর আলম, আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রিমন রহমান প্রমুখ আহত হন। এদের মধ্যে আতিককে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল ও সাব্বিরকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে নতুন কমিটির সহ-সভাপতি ও আন্দোলনরত পদবঞ্চিত নেতা মাহফুজার রহমান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কয়েক দিন আগে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবির নেতাকর্মীদের ধাওয়া করা হয়। তারা এর প্রতিশোধ নিতে শনিবার রাত ৯টার দিকে ক্যাম্পাসে আসেন। এমন খবর পেয়ে তাদের প্রতিহত করতে আমরা সেখানে যাই। তিনি দাবি করেন, এ সময় আমাদের ওপর দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়েছে।

সদর থানার এসআই মঞ্জুরুল হক ভুঞা জানান, খবর পেয়ে রাতেই ফোর্স ক্যাম্পাসে যায়। এর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী জানান, তার বাসভবনের বাইরে বহিরাগতরা এসে গণ্ডগোল করেছে। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা জানান, রোববার বিকাল পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সূত্র জানায়, গত ৭ নভেম্বর বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩০ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে একটি অংশ আন্দোলন শুরু করে। তারা দলীয় কার্যালয়ে তালা, নেতাদের কুশপুত্তলিকা দাহ, প্রতিবাদ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন