স্বামীর সঙ্গে ‘অভিমান করে’ গৃহবধূর আত্মহত্যা
jugantor
স্বামীর সঙ্গে ‘অভিমান করে’ গৃহবধূর আত্মহত্যা

  টঙ্গী পশ্চিম (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:৩২:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গী খরতৈল ব্যাংকপাড়া এলাকায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে মনিকা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ সোমবার বিকালে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছেন।

মৃত মনিকা নাটোর জেলা সদরের কান্দিভিটা পূর্বপাড়া গ্রামের আরিফের স্ত্রী। তারা খরতৈল ব্যাংকপাড়া বিষ্ণুপদ রায়ের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক খুঁটিনাটি বিষয়াদি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় স্ত্রী মনিকাকে বকাঝকা করে বাসা থেকে বেরিয়ে যান স্বামী আরিফ। পরে দুপুর ১টার দিকে বাসায় ফিরে এসে কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে স্ত্রী মনিকাকে ডাকাডাকি করেন। এ সময় ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় মনিকাকে দেখতে পেয়ে তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করেন।

পরে আশপাশের ভাড়াটিয়ারা এগিয়ে এসে কাঠের চেলা দিয়ে দরজা খুলে মনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পশ্চিম থানা পুলিশ বিকাল ৪টার দিকে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে পাঠান।

ভাড়াটিয়াদের ধারণা, মনিকার স্বামী তাকে বকাঝকা দেওয়ায় অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্বামীর সঙ্গে ‘অভিমান করে’ গৃহবধূর আত্মহত্যা

 টঙ্গী পশ্চিম (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গী খরতৈল ব্যাংকপাড়া এলাকায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে মনিকা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ সোমবার বিকালে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছেন।

মৃত মনিকা নাটোর জেলা সদরের কান্দিভিটা পূর্বপাড়া গ্রামের আরিফের স্ত্রী। তারা খরতৈল ব্যাংকপাড়া বিষ্ণুপদ রায়ের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক খুঁটিনাটি বিষয়াদি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় স্ত্রী মনিকাকে বকাঝকা করে বাসা থেকে বেরিয়ে যান স্বামী আরিফ। পরে দুপুর ১টার দিকে বাসায় ফিরে এসে কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে স্ত্রী মনিকাকে ডাকাডাকি করেন। এ সময় ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় মনিকাকে দেখতে পেয়ে তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করেন।

পরে আশপাশের ভাড়াটিয়ারা এগিয়ে এসে কাঠের চেলা দিয়ে দরজা খুলে মনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পশ্চিম থানা পুলিশ বিকাল ৪টার দিকে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে পাঠান।

ভাড়াটিয়াদের ধারণা, মনিকার স্বামী তাকে বকাঝকা দেওয়ায় অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন