মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, পুলিশসহ আহত ২০
jugantor
মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, পুলিশসহ আহত ২০

  কুমিল্লা ব্যুরো   

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:২৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে মাছের ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জহির হোসেন নামের এক সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) বিকালে জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহির হোসেন (৩২) ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। আহতদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

এ নিয়ে ভিটিকান্দি এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তিতাস থানার ওসি সুধীন চন্দ্র দাস জানান, ওই এলাকায় মাছের ঘের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার বিকালে ওই ঘেরে জোরপূর্বক মাছ ধরতে যায় একপক্ষ। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, পুলিশের উপস্থিতিতেই সংঘর্ষ শুরু হয়। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হলে ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। গুরুতর অবস্থায় সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে জহিরকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বাকিদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, পুলিশসহ আহত ২০

 কুমিল্লা ব্যুরো  
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে মাছের ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জহির হোসেন নামের এক সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) বিকালে জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহির হোসেন (৩২) ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। আহতদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

এ নিয়ে ভিটিকান্দি এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

তিতাস থানার ওসি সুধীন চন্দ্র দাস জানান, ওই এলাকায় মাছের ঘের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার বিকালে ওই ঘেরে জোরপূর্বক মাছ ধরতে যায় একপক্ষ। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, পুলিশের উপস্থিতিতেই সংঘর্ষ শুরু হয়। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হলে ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। গুরুতর অবস্থায় সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে জহিরকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বাকিদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন