চালকের ঘুমের কারণে ঝরে যায় ৫ তাজা প্রাণ
jugantor
চালকের ঘুমের কারণে ঝরে যায় ৫ তাজা প্রাণ

  মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:৪৩:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মাত্র ২০ বছর বয়সী চালক আলমগীর হোসেন ও ১৯ বছর বয়সী হেলপার আনোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থেকে কাভার্ডভ্যানে বিস্কুট লোড করে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কে আসলে চালক আলমগীর হোসেনের চোখে ঘুম চলে আসে।

চালকের পাশেই হেলপার আনোয়ার হোসেন ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমের মধ্যে কাভার্ডভ্যানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক আলমগীর হোসেন।

একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণহীন কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কের যশোরের মনিরামপুরের বেগারিতলা বাজারে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে। আর এ সময় কাভার্ডভ্যানচাপায় ঝরে যায় ৫টি তরতাজা প্রাণ।

মঙ্গলবার পুলিশের অভিযানে আটক কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এদিন সকালে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার জয়না বাজারের তরমুজপাড়া এলাকা থেকে তারা দুজন আটক হন। আটক চালক আলমগীর হোসেন নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার মোবারকপুর গ্রামের শামছুল হকের ছেলে এবং হেলপার আনোয়ার হোসেন ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার সন্ধ্যাকুরা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

মনিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান জানান, কাভার্ডভ্যানচাপায় নিহতদের এক স্বজনের মামলার পর থেকে পুলিশ ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনাসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে তারা আটক হন। মঙ্গলবার বিকালে তাদের আটক করে থানায় আনা হয়।

গত শুক্রবার যশোর থেকে সাতক্ষীরাগামী কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেগারিতলা বাজারে মহাসড়কের পাশে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় নাশতা সেরে চা পান করতে দোকানের খাটে বসেছিলেন টুনিয়াঘরা গ্রামের শামছুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও জয়পুর গ্রামের জিয়াউর রহমান। এই তিনজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একই সময় নাশতা খেতে টুনিয়াঘরা গ্রামের পিতা হাবিবুর রহমান ও তা ৬ বছরের ছেলে তাওহীদ হাবিব তাওসিকে নিয়ে হোটেলে যাচ্ছিলেন। কাভার্ডভ্যানচাপায় তারাও প্রাণ হারান।

চালকের ঘুমের কারণে ঝরে যায় ৫ তাজা প্রাণ

 মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাত্র ২০ বছর বয়সী চালক আলমগীর হোসেন ও ১৯ বছর বয়সী হেলপার আনোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থেকে কাভার্ডভ্যানে বিস্কুট লোড করে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কে আসলে চালক আলমগীর হোসেনের চোখে ঘুম চলে আসে।

চালকের পাশেই হেলপার আনোয়ার হোসেন ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমের মধ্যে কাভার্ডভ্যানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক আলমগীর হোসেন।

একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণহীন কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কের যশোরের মনিরামপুরের বেগারিতলা বাজারে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে। আর এ সময় কাভার্ডভ্যানচাপায় ঝরে যায় ৫টি তরতাজা প্রাণ।

মঙ্গলবার পুলিশের অভিযানে আটক কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এদিন সকালে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার জয়না বাজারের তরমুজপাড়া এলাকা থেকে তারা দুজন আটক হন। আটক চালক আলমগীর হোসেন নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার মোবারকপুর গ্রামের শামছুল হকের ছেলে এবং হেলপার আনোয়ার হোসেন ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার সন্ধ্যাকুরা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

মনিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান জানান, কাভার্ডভ্যানচাপায় নিহতদের এক স্বজনের মামলার পর থেকে পুলিশ ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনাসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে তারা আটক হন। মঙ্গলবার বিকালে তাদের আটক করে থানায় আনা হয়।

গত শুক্রবার যশোর থেকে সাতক্ষীরাগামী কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেগারিতলা বাজারে মহাসড়কের পাশে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় নাশতা সেরে চা পান করতে দোকানের খাটে বসেছিলেন টুনিয়াঘরা গ্রামের শামছুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও জয়পুর গ্রামের জিয়াউর রহমান। এই তিনজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একই সময় নাশতা খেতে টুনিয়াঘরা গ্রামের পিতা হাবিবুর রহমান ও তা ৬ বছরের ছেলে তাওহীদ হাবিব তাওসিকে নিয়ে হোটেলে যাচ্ছিলেন। কাভার্ডভ্যানচাপায় তারাও প্রাণ হারান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন