দুই বাউল শিল্পী গণধর্ষণের আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ
jugantor
দুই বাউল শিল্পী গণধর্ষণের আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ

  সিলেট ব্যুরো  

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:০৮:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে গানের অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দুই নারী বাউল শিল্পীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে গড়িমসি করছে বলে ভিকটিম এক শিল্পীর মা অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে ভিকটিম বাউল শিল্পীর মায়ের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাউল শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেটের সভাপতি শাহ তোফাজ্জল ভান্ডারি।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়- নির্যাতিত দুই বাউল শিল্পীর মধ্যে এক ভিকটিম বিবাহিত (১৯) অপরজন কিশোরী (১৫)। তারা দুজনই পেশাদার বাউল শিল্পী। গত ২ নভেম্বর তারা একটি অনুষ্ঠানে যান। এ সময় বিবাহিত বাউল শিল্পীর স্বামীও সঙ্গে ছিলেন। জালালাবাদ থানাধীন তেমুখী পয়েন্ট থেকে একটি প্রাইভেটকারযোগে গানের অনুষ্ঠানে যাওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা।

এ সময় প্রাইভেটকারের পাশাপাশি একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ইছাকলস গ্রামের মৃত শুকুর উদ্দিনের ছেলে মো. ফয়জুল হকসহ আরও কয়েকজন সঙ্গী হন।

প্রসঙ্গত, ফয়জুলই ওই অনুষ্ঠানে নিতে মাধ্যম হিসেবে আলাপ করেছিলেন। যাওয়ার পথে শিবেরবাজার এলাকার বাছনা বিলের দিকে জোরপূর্বক নিয়ে যেতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে শিল্পীদের টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বাছনা বিলের ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে দুই নারী শিল্পীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফয়জুল ও তার সহযোগীরা।

এ সময় বিবাহিত নারী শিল্পীর স্বামী কৌশলে জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ যায়। এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় ৩ নভেম্বর ধর্ষিতা শিল্পীরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। অথচ পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেফতার করলেও অন্য আসামিদের ধরতে গড়িমসি করছে। এ বিষয়ে ধর্ষিতা শিল্পীরা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে তোলা অভিযোগের বিষয়টি অমূলক দাবি করেছেন জালালাবাদ থানার ওসি নাজমুল হুদা খান। তার দাবি, ঘটনার দিনই দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

দুই বাউল শিল্পী গণধর্ষণের আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ

 সিলেট ব্যুরো 
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে গানের অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দুই নারী বাউল শিল্পীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে গড়িমসি করছে বলে ভিকটিম এক শিল্পীর মা অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে ভিকটিম বাউল শিল্পীর মায়ের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাউল শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেটের সভাপতি শাহ তোফাজ্জল ভান্ডারি।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়- নির্যাতিত দুই বাউল শিল্পীর মধ্যে এক ভিকটিম বিবাহিত (১৯) অপরজন কিশোরী (১৫)। তারা দুজনই পেশাদার বাউল শিল্পী। গত ২ নভেম্বর তারা একটি অনুষ্ঠানে যান। এ সময় বিবাহিত বাউল শিল্পীর স্বামীও সঙ্গে ছিলেন। জালালাবাদ থানাধীন তেমুখী পয়েন্ট থেকে একটি প্রাইভেটকারযোগে গানের অনুষ্ঠানে যাওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা।

এ সময় প্রাইভেটকারের পাশাপাশি একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ইছাকলস গ্রামের মৃত শুকুর উদ্দিনের ছেলে মো. ফয়জুল হকসহ আরও কয়েকজন সঙ্গী হন।

প্রসঙ্গত, ফয়জুলই ওই অনুষ্ঠানে নিতে মাধ্যম হিসেবে আলাপ করেছিলেন। যাওয়ার পথে শিবেরবাজার এলাকার বাছনা বিলের দিকে জোরপূর্বক নিয়ে যেতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে শিল্পীদের টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বাছনা বিলের ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে দুই নারী শিল্পীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফয়জুল ও তার সহযোগীরা।

এ সময় বিবাহিত নারী শিল্পীর স্বামী কৌশলে জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ যায়। এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় ৩ নভেম্বর ধর্ষিতা শিল্পীরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। অথচ পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেফতার করলেও অন্য আসামিদের ধরতে গড়িমসি করছে। এ বিষয়ে ধর্ষিতা শিল্পীরা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে তোলা অভিযোগের বিষয়টি অমূলক দাবি করেছেন জালালাবাদ থানার ওসি নাজমুল হুদা খান। তার দাবি, ঘটনার দিনই দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন