ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান
jugantor
ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ জানুয়ারি ২০২৩, ১৯:৫০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান

তুরাগ নদের তীরে কাঙ্ক্ষিত আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো ইজতেমার দ্বিতীয়পর্ব। আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন লাখো মুসল্লি। রোববার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। প্রায় ২৯ মিনিটের মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমার সমাপ্তি ঘটে।

দ্বিতীয়পর্বে তাবলিগ জামাতের প্রধানকেন্দ্র দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের প্রধান মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা অংশ নিয়েছেন। এরআগে ১৩ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় আলমি শূরার (মাওলানা জুবায়েরপন্থী) বিশ্ব ইজতেমার প্রথমপর্ব।

এদিকে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে (সাদপন্থি) এবার ৬৫টি দেশ থেকে নয় হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিক অংশ নিয়েছেন; যা ইজতেমার প্রথমপর্বের চেয়ে বেশি।

ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম জানান, আরবি ভাষী ৬৮৮ জন, ইংরেজি ভাষী ৩হাজার ৩৪০, উর্দু ভাষী ১ হাজার ৯৭০জন, পশ্চিমবঙ্গ (ভারত) থেকে ২হাজার ৬৩০ জন, অন্যান্য ভাষার ৪৮২জনসহ ৬৫টি দেশের তাবলিগ জামাতের ৯ হাজার ১১০জন বিদেশি মেহমান দ্বিতীয়পর্বের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছেন।

এদের মধ্যে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অধিক পরিমাণ মেহমান এসেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

মধ্য এশিয়া বা আফ্রিকার মুসলিম দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরাও অংশ নিয়েছেন টঙ্গীর ইজতেমায়।

ইজতেমার প্রথমপর্বের (জুবায়েরপন্থি) আয়োজকদের তথ্যমতে, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ৬৬ দেশের ৬ হাজার ৯৩১ জন মেহমান অংশ নিয়েছিলেন।

তবে গত কয়েক বছর ধরে ইজতেমায় বিদেশিদের আসার হার আগের তুলনায় কিছুটা কম বলে মনে করছেন ইজতেমার আয়োজকরা।

তারা বলছেন, ২০১৭ সালে তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসার পর থেকে ইজতেমায় অংশ নেওয়া বিদেশিদের সংখ্যা কমে গেছে। তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্র দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের প্রধান মাওলানা সাদ কান্ধলভী আসতে না পারায় অনেক বিদেশি মেহমান আসছেন না বলে দাবি তার অনুসারীদের।

ভারতীয় উপমহাদেশে সুন্নি মুসলমানদের বৃহত্তম সংগঠন তাবলিগ জামাতের মধ্যে প্রথম দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ পায় ২০১৭ সালের নভেম্বরে।

এরপর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর বিরতির পর বিশ্ব ইজতেমা আবারো শুরু হলেও তাবলিগ জামাতের মধ্যে বিভক্তি কাটেনি।

এখন তাবলিগ জামাতের দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে টঙ্গীর তুরাগ নদীর পাড়ে বিশ্ব ইজতেমার পৃথক আয়োজন করে, যার প্রথম পর্বটি হয়েছে ১৩ থেকে ১৫ই জানুয়ারি। আর দ্বিতীয় পর্বটি হয়েছে ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি।

ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান
ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে ৯ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান। ছবি: যুগান্তর

তুরাগ নদের তীরে কাঙ্ক্ষিত আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো ইজতেমার দ্বিতীয়পর্ব। আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন লাখো মুসল্লি। রোববার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। প্রায় ২৯ মিনিটের মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমার সমাপ্তি ঘটে।

দ্বিতীয়পর্বে তাবলিগ জামাতের প্রধানকেন্দ্র দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের প্রধান মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা অংশ নিয়েছেন। এরআগে ১৩ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় আলমি শূরার (মাওলানা জুবায়েরপন্থী) বিশ্ব ইজতেমার প্রথমপর্ব।

এদিকে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বে (সাদপন্থি) এবার ৬৫টি দেশ থেকে নয় হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিক অংশ নিয়েছেন; যা ইজতেমার প্রথমপর্বের চেয়ে বেশি। 

ইজতেমার দ্বিতীয়পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম জানান, আরবি ভাষী ৬৮৮ জন, ইংরেজি ভাষী ৩হাজার ৩৪০, উর্দু ভাষী ১ হাজার ৯৭০জন, পশ্চিমবঙ্গ (ভারত) থেকে ২হাজার ৬৩০ জন, অন্যান্য ভাষার ৪৮২জনসহ ৬৫টি দেশের তাবলিগ জামাতের ৯ হাজার ১১০জন বিদেশি মেহমান দ্বিতীয়পর্বের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছেন। 

এদের মধ্যে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অধিক পরিমাণ মেহমান এসেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

মধ্য এশিয়া বা আফ্রিকার মুসলিম দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরাও অংশ নিয়েছেন টঙ্গীর ইজতেমায়।  

ইজতেমার প্রথমপর্বের (জুবায়েরপন্থি) আয়োজকদের তথ্যমতে, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ৬৬ দেশের ৬ হাজার ৯৩১ জন মেহমান অংশ নিয়েছিলেন। 

তবে গত কয়েক বছর ধরে ইজতেমায় বিদেশিদের আসার হার আগের তুলনায় কিছুটা কম বলে মনে করছেন ইজতেমার আয়োজকরা।

তারা বলছেন, ২০১৭ সালে তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসার পর থেকে ইজতেমায় অংশ নেওয়া বিদেশিদের সংখ্যা কমে গেছে। তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্র দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের প্রধান মাওলানা সাদ কান্ধলভী আসতে না পারায় অনেক বিদেশি মেহমান আসছেন না বলে দাবি তার অনুসারীদের।

ভারতীয় উপমহাদেশে সুন্নি মুসলমানদের বৃহত্তম সংগঠন তাবলিগ জামাতের মধ্যে প্রথম দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ পায় ২০১৭ সালের নভেম্বরে।

এরপর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর বিরতির পর বিশ্ব ইজতেমা আবারো শুরু হলেও তাবলিগ জামাতের মধ্যে বিভক্তি কাটেনি।

এখন তাবলিগ জামাতের দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে টঙ্গীর তুরাগ নদীর পাড়ে বিশ্ব ইজতেমার পৃথক আয়োজন করে, যার প্রথম পর্বটি হয়েছে ১৩ থেকে ১৫ই জানুয়ারি। আর দ্বিতীয় পর্বটি হয়েছে ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি।

 

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন