প্রতিবেশীকে পিটিয়ে হত্যায় দায়ে যাবজ্জীবন
jugantor
প্রতিবেশীকে পিটিয়ে হত্যায় দায়ে যাবজ্জীবন

  মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:০৫:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহে প্রতিবেশীকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় শামসুদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।


মঙ্গলবার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সুদিপ্তা সরকার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন। প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি সঞ্জিব সরকার যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


সাজাপ্রাপ্ত শামসুদ্দিন জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার তারাঢি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের মৃত জয়নুদ্দিনের ছেলে। মামলার নথির বরাত দিয়ে সঞ্জিব সরকার বলেন, নিহত রফিজ উদ্দিন জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার তারাঢি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আসামি শামসুদ্দিন ও রফিজ উদ্দিন তাদের প্রতিবেশী।

ঘটনার দিন ২০১৫ সালের ১০মে রফিজ উদ্দিন আসামি শামসুদ্দিনের বাড়ির সামনে বসে বাঁশের চাটাই বুনন করছিলেন। এ সময় রফিজ উদ্দিনের স্ত্রী তাকে গুড়ের খুরমা খেতে দেন। খুরমা খেয়ে রফিজ উদ্দিনের পানি পিপাসা লাগলে শামসুদ্দিনের রান্নাঘর থেকে এক গ্লাস পানি পান করেন তিনি। তার রান্নাঘরে ঢুকে পানি পান করার পরই তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

এক পর্যায়ে শামসুদ্দিন লোহার শাবল দিয়ে রফিজ উদ্দিনের মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করেন। এতে রফিজ উদ্দিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে শামসুদ্দিন শাবল নিয়ে পালাতে চাইলে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ফকিরগঞ্জ বাজারে গেলে মোস্তফা নামে একজন তাকে আটকান। পরে শামসুদ্দিন তাকেও শাবল দিয়ে আঘাত করেন। এরপর স্থানীয়রা শামসুদ্দিনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় ওই দিন শামসুদ্দিনকে আসামি করে মুক্তাগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে শামসুদ্দিন কারাগারেই ছিলেন। মামলার ৭ বছর পর আসামির উপস্থিতিতে আদালত শামসুদ্দিনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন।

প্রতিবেশীকে পিটিয়ে হত্যায় দায়ে যাবজ্জীবন

 মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  
২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহে প্রতিবেশীকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় শামসুদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।


মঙ্গলবার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সুদিপ্তা সরকার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন। প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি সঞ্জিব সরকার যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


সাজাপ্রাপ্ত শামসুদ্দিন জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার তারাঢি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের মৃত জয়নুদ্দিনের ছেলে। মামলার নথির বরাত দিয়ে সঞ্জিব সরকার বলেন, নিহত রফিজ উদ্দিন জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার তারাঢি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আসামি শামসুদ্দিন ও রফিজ উদ্দিন তাদের প্রতিবেশী।

ঘটনার দিন ২০১৫ সালের ১০মে রফিজ উদ্দিন আসামি শামসুদ্দিনের বাড়ির সামনে বসে বাঁশের চাটাই বুনন করছিলেন। এ সময় রফিজ উদ্দিনের স্ত্রী তাকে গুড়ের খুরমা খেতে দেন। খুরমা খেয়ে রফিজ উদ্দিনের পানি পিপাসা লাগলে শামসুদ্দিনের রান্নাঘর থেকে এক গ্লাস পানি পান করেন তিনি। তার রান্নাঘরে ঢুকে পানি পান করার পরই তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। 

এক পর্যায়ে শামসুদ্দিন লোহার শাবল দিয়ে রফিজ উদ্দিনের মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করেন। এতে রফিজ উদ্দিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে শামসুদ্দিন শাবল নিয়ে পালাতে চাইলে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ফকিরগঞ্জ বাজারে গেলে মোস্তফা নামে একজন তাকে আটকান। পরে শামসুদ্দিন তাকেও শাবল দিয়ে আঘাত করেন। এরপর  স্থানীয়রা শামসুদ্দিনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় ওই দিন শামসুদ্দিনকে আসামি করে মুক্তাগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে শামসুদ্দিন কারাগারেই ছিলেন। মামলার ৭ বছর পর আসামির উপস্থিতিতে আদালত শামসুদ্দিনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন