জেলমুক্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের দুধ দিয়ে গোসল 
jugantor
জেলমুক্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের দুধ দিয়ে গোসল 

  ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:৫৪:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

২৩ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়েই দুধ দিয়ে গোসল করলেন ঘাটাইলের সেই ইউপি চেয়ারম্যান। মঙ্গলবার বিকেলে নিজ বাড়ি সাগরদিঘীতে এসে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।

হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাগরদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে ১লা জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন সিআইডি। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই সময় তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল বের করা হয়।

দুধ দিয়ে গোসল করার বিষয়ে জানতে চাইলে সেই ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার যুগান্তরকে বলেন, আমার চৌদ্ধ গোষ্ঠির মধ্যে কেউ কোন দিন জেল হাজতে যায়নি। এজন্য আমি জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতে আসলে চাচিরা ও আমার পরিবারের লোকজন দুধ দিয়ে গোসল করিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম সরকার যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এলাকার পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল। আইনশৃঙলা পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে সাগরদিঘী এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুপ্তবৃন্ধাবন কেন্দ্রে আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল দেয়াকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় নিহত হন ওই ইউনিয়ন যুবদল নেতা আব্দুল মালেক। পরে নিহত মালেকের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার বাদি হয়ে চেয়ারম্যান হেকমত শিকদারকে প্রধান আসামী করে ২৩ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে টাঙ্গাইল চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালত ঘাটাইল থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

ঘাটাইল থানা মামলা তদন্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে বাদি অসন্তোষ প্রকাশ করে নারাজি দিলে আদালত জেলা গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) মামলা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগও মামলার তদন্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। বাদি আবারও নারাজি দিলে আ্দালত জেলা সিআইডিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলা সিআইডিতে তদন্তনাধীন রয়েছে।

জেলমুক্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের দুধ দিয়ে গোসল 

 ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২৩ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়েই দুধ দিয়ে গোসল করলেন ঘাটাইলের সেই ইউপি চেয়ারম্যান।  মঙ্গলবার বিকেলে নিজ বাড়ি সাগরদিঘীতে এসে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। 

হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাগরদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে ১লা জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন সিআইডি।  আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই সময় তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল বের করা হয়। 

দুধ দিয়ে গোসল করার বিষয়ে জানতে চাইলে সেই ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার যুগান্তরকে বলেন, আমার চৌদ্ধ গোষ্ঠির মধ্যে কেউ কোন দিন জেল হাজতে যায়নি। এজন্য আমি জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতে আসলে চাচিরা ও আমার পরিবারের লোকজন দুধ দিয়ে গোসল করিয়েছেন।  

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম সরকার যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এলাকার পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল। আইনশৃঙলা পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে সাগরদিঘী এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুপ্তবৃন্ধাবন কেন্দ্রে  আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল দেয়াকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। 

ওই ঘটনায় নিহত হন ওই ইউনিয়ন যুবদল নেতা আব্দুল মালেক। পরে নিহত মালেকের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার বাদি হয়ে চেয়ারম্যান হেকমত শিকদারকে প্রধান আসামী করে ২৩ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে টাঙ্গাইল চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালত ঘাটাইল থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। 

ঘাটাইল থানা মামলা তদন্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে বাদি অসন্তোষ প্রকাশ করে নারাজি দিলে আদালত জেলা গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) মামলা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। 

জেলা গোয়েন্দা বিভাগও মামলার তদন্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। বাদি আবারও নারাজি দিলে আ্দালত জেলা সিআইডিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলা সিআইডিতে তদন্তনাধীন রয়েছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন