স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য গ্রেফতার
jugantor
স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য গ্রেফতার

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:০৩:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে রবিন চৌধুরী নামের ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে রবিন চৌধুরী ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শনিবার রাতে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকা দিয়ে এক নারী শ্রমিক ও তার স্বামী স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এই সময় পথে ইউপি সদস্য মো. রবিন ও তার ৪-৫ জন সঙ্গী জোর করে ওই নারী ও তার স্বামীকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে ওই নারীর স্বামীকে মারধর করে টাকা, মোবাইল, অলংকার ছিনিয়ে নেন। তারপর ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বামীর সামনেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে নারীর অনুরোধে তাকে ফোন ফিরিয়ে দিলে কৌশলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ধর্ষণের ঘটনা জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইউপি সদস্য ও তার সঙ্গীরা পালিয়ে যান। পুলিশ ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

সীতাকুণ্ড থানার এসআই মো. হারুনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছি। এই সময় ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পেয়েছি। পরে ভুক্তভোগী নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওসিসিতে পাঠিয়েছি।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য গ্রেফতার

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:০৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে রবিন চৌধুরী নামের ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে রবিন চৌধুরী ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শনিবার রাতে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকা দিয়ে এক নারী শ্রমিক ও তার স্বামী স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এই সময় পথে ইউপি সদস্য মো. রবিন ও তার ৪-৫ জন সঙ্গী জোর করে ওই নারী ও তার স্বামীকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে ওই নারীর স্বামীকে মারধর করে টাকা, মোবাইল, অলংকার ছিনিয়ে নেন। তারপর ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বামীর সামনেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে নারীর অনুরোধে তাকে ফোন ফিরিয়ে দিলে কৌশলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ধর্ষণের ঘটনা জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইউপি সদস্য ও তার সঙ্গীরা পালিয়ে যান। পুলিশ ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

সীতাকুণ্ড থানার এসআই মো. হারুনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছি। এই সময় ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পেয়েছি। পরে ভুক্তভোগী নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওসিসিতে পাঠিয়েছি।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন