পদ্মা সেতুর পঞ্চম স্প্যান বসছে আজ, দৃশ্যমান হবে পৌনে এক কিলোমিটার

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি ২৯ জুন ২০১৮, ১০:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

পদ্মাসেতু
ফাইল ছবি

পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই সেতুটির পঞ্চম স্প্যান বসানোর প্রস্তুতির কাজ চলছে। প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, দুপুর ২টা নাগাদ তারা স্প্যানটি বসানোর কাজ শুরু করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ১৫০ মিটার দীর্ঘ এই স্প্যান ইতিমধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে নেয়া হয়েছে। সেখানেই বসানো হবে স্প্যানটি। এটি জাজিরা প্রান্তের তীরের দিকের শেষ স্প্যান।

প্রস্তুতি শেষে সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৪১ ও ৪২ নম্বর খুঁটিতে ৭এফ নম্বর স্প্যানটি বসানো হবে।

এ স্পেনটি বসানোর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর কাজ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। প্রকৌশলীরা বলেন, এর মাধ্যমে পদ্মা সেতু স্পর্শ করতে যাচ্ছে জাজিরা প্রান্তের তীর। ফলে দৃশ্যমান হচ্ছে সেতুর পৌনে এক কিলোমিটার।

সেতু কর্তৃপক্ষের দাবি, ইতোমধ্যে সেতুর ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে পুরো স্প্যান বসানোর কাজ শেষ করে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান করা হবে।

গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর সেতুর প্রথম, ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয়, ১০ মার্চ তৃতীয় ও ১৩ এপ্রিল চতুর্থ স্প্যানটি বসানো হয়েছিল।

এ সেতুর কাজ শেষ হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে গোটা দেশের যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। দেশের অর্থনৈতিতে নতুনমাত্রা যোগ হবে।

পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে গড়ে উঠবে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের আদলে বিশ্বমানের শহর। কলকারখানায় ভরে যাবে এ এলাকা।

জাজিরা পূর্ব নাওডোবা এলাকার রাজ্জাক মাঝি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে আমাদের বাপ-দাদার জমি দিয়েছি। মনে করেছিলাম সেতু করার নামে আমাদের জমি নিয়ে গেল। পর পর চারটি স্প্যান বসানোর পর আরও একটি বসানোর খবর শুনে মনে হচ্ছে- এ সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়। এতে আমরা খুশি ও আনন্দিত।

ঘটনাপ্রবাহ : পদ্মা সেতু নির্মাণ

আরও
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×