তিন সিটির নির্বাচনেই সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব সুজনের

  সিলেট ব্যুরো ৩০ জুন ২০১৮, ২২:১৯ | অনলাইন সংস্করণ

সিলেট ম্যাপ

খুলনা ও গাজীপুরের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ অভিযোগ করে আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

এছাড়া সিটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দ্বৈতশাসন বিষয়টি পরিষ্কার করার আহ্বান জানান নির্বাচন কমিশনকে, আর তাই সিটি নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়ালের ৮৪ ধারা পরিবর্তন করতে হবে।

শনিবার দুপুরে সিলেটের একটি হোটেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনে কারচুপির শঙ্কা নিরসনে ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাবও করেন তিনি। তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে নির্বাচন কমিশনের বেশকিছু বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার।

সিটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দ্বৈতশাসনের বিষয়ে তিনি বলেন বিধিবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন বা কমিশনের পক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা সব কিছুর দায়িত্বে থাকবেন। তার নেতৃত্বে এবং কর্তৃত্বেই সব পরিচালিত হবে। কিন্তু ৮৪ ধারার কিছু অস্পষ্টতার কারণে তা প্রতিফলিত হয় না। নির্বাচনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ প্রশাসন সর্ম্পূণ কমিশনের অধীনে থাকে না। এ ধারায় পরিবর্তন আনলে পুলিশ তখন রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে। তখন পুরো দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব কমিশনের হাতে থাকবে।তখন কমিশন কাউকে চাইলে বদলিও করতে পারবে। মূল কথাই হচ্ছে দ্বৈতশাসনের অবসান হওয়া দরকার।

তিনি বলেন, কমিশনের অগাধ ক্ষমতা রয়েছে, সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আপিল বিভাগ বলেছেন সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের খাতিরে কমিশন প্রয়োজনে বিধিবিধান সংযোজনও করতে পারে। বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে কারণ এখনো এক মাস সময় হাতে আছে।

এ সময় তিনি ব্যালট ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করার প্রস্তাব করেন। সময় পরিবর্তন করা গেলে ভোটের দিনই কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পাঠানো সম্ভব। তাতে কারচুপির আশঙ্কা কমবে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হওয়া ঠিক হয়নি, এতে বিভিন্ন সময় ভোটারদের প্রতি প্রতিশোধপরায়ণ হতে দেখা গেছে, স্থানীয় নির্বাচনে বিরোধ ও সংকট আরও তীব্র আকার নিয়েছে।

তিনি বলেন, এই কমিশনের অধীনে ভালো নির্বাচন হয়েছে, যখন ভালো নির্বাচন হয় আমরা ভালো বলি যখন খারাপ হয় আমরা খারাপ বলি। কুমিল্লা ও রংপুরে ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের একটি বিধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক প্রার্থীর বিপক্ষে অন্য প্রার্থী কাউন্টার অ্যাফিডেভিট বা বিরুদ্ধে হলফনামা দিতে পারে, যদি প্রার্থী মনে করেন তার বিপক্ষের প্রার্থী তথ্য গোপন করেছেন তখন তিনি হলফ করে তার একটি বক্তব্য দিতে পারেন, এই বিধান শুধু জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য স্থানীয় নির্বাচনেও তা অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তিনি।

ঘটনাপ্রবাহ : রাজশাহী-বরিশাল-সিলেট সিটি নির্বাচন ২০১৮

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter