যুগান্তরের গোলটেবিল : কেমন মেয়র চাই

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ববান হওয়ার আহ্বান জাফরের

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৮, ২০:১৯ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ছবি: যুগান্তর

বাসদ-সিপিবি মনোনীত প্রার্থী আবু জাফর বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো থাকলেও বিভিন্ন ঘটনা মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করছে। মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আরও দায়িত্ববান হতে হবে। 

সোমবার সকালে সিসিক নির্বাচন ২০১৮ সামনে রেখে সিলেটে দৈনিক যুগান্তর আয়োজিত ‘কেমন মেয়র চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বাসদ-সিপিবি প্রার্থী এসব কথা বলেন। 

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রত্যাশার জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে বিশুদ্ধ পানি সংকট, জলাবদ্ধতা, যানজট ও ফুটপাত হকারমুক্ত করতে কাজ করব। গভীর নলকূপ থেকে পানি উঠানো বন্ধ করে বিশুদ্ধ পানির জন্য সুরমা নদীকে কাজে লাগানো হবে। 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খাঁন বলেন, আমরা মুখে মুখে না বলে অন্তর থেকে বলি নির্বাচনটা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করব। আর এটা অনেকটা নির্ভর করে সরকারদলীয় প্রার্থীর ওপর। 
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রত্যশার জবাবে তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত মেয়র চাই। নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত নগর ভবন উপহার দেব। সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের সদিচ্ছার প্রয়োজন।

স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী এহসানুল হক তাহের বলেন, প্রতিশ্রুতি না দিয়ে একটি শঙ্কা প্রকাশ করছি। আমি প্রার্থীদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে শংকিত। তাই একে-অপরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হচ্ছি। এই নগরীর মেয়রকে হতে হবে নাগরিকবান্ধব। 

স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী ও মহানগর জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে তত মানুষের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনারের দেয়া কথার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। 

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রত্যশার জবাবে তিনি বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মিল না থাকা। সরকার ও সিটি কর্পোরেশন দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কাজের ক্ষেত্রে দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এত দিন পরও বধ্যভূমি কেন সংরক্ষণ হচ্ছে না সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে তার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে বলে জানান জুবায়ের।