ভোরে চললেও সকাল থেকেই বন্ধ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটের সব গণপরিবহন

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ছবি: এম এম সালাহউদ্দীন

দেশের সব চেয়ে ব্যস্ত রুট ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কিছু গণপরিবহন চলাচল করলেও সকাল ১০টার পর থেকে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত অনেকেই না জেনে স্কুল-কলেজে যান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নোটিশ দেখে তারা প্রথমে নগরীর চাষাড়া মোড়ে সমবেত হতে থাকেন।

এর পর তারা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে চালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করতে থাকেন।

চালকের লাইসেন্স না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির গাড়ি আটকে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।  

এ পর্যায়ে তারা চাষাড়া ও মেট্রো হলের মোড়ে সড়কের ওপর উৎসব ও বিআরটিসি বাস আড়াআড়ি করে দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

এর পর তারা নগরীর চাষাড়া, দুই নাম্বার গেট, গ্রিনলেজ ব্যাংকের মোড়, খানপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়ে চালকদের লাইসেন্স চেক করা শুরু করেন।  

এ সময় পুলিশ লেখা একটি গাড়ি চাষাড়া মোড় দিয়ে  পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় চালকের লাইসেন্স না থাকায় শিক্ষার্থীরা তা আটকে দেন।

বেলা পৌনে ১২টায় নগরীর চাষাড়ায় ঢাকাগামী উৎসব ও বন্ধন কাউন্টারের সামনে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আ. সাত্তার গাড়ি থেকে নেমে তার পরিচয় দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করলেও শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড় থাকেন।  

এ ব্যাপারে ওসি বলেন, এসপি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ সভা থাকায় থানায় কোনো গাড়ি না পেয়ে বাধ্য হয়ে ভাড়া করা এ গাড়িটি নিয়ে আসি। গাড়ির চালকের যে লাইসেন্স নেই তা আমার জানা ছিল না। এখন থেকে এ বিষয়ে আমি আরও সচেতন থাকব।  

দুপুর থেকে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন আন্দেলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি- নৌমন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নগরীতে এবং নগরীর বাইরে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে পুলিশ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবরোধ তুলে নিতে বারবার অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়েছে।