বানিয়াচংয়ে তহসিলদার-পিয়নের তুমুল ঘুষাঘুষি

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০১:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

  বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার ও পিয়নের মধ্যে কিল ঘুষাঘুষির ঘটনা ঘটেছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাঁচছয়নং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

বিলম্বে অফিসে আসার জেরে তহসিলদার সাদ আহমেদ, অফিস সহায়ক আলী আখতার ও অশ্চিন্ত কুমার দাশ তুমুল মারামারিতে লিপ্ত হন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পিয়ন আলী আখতার ও তহসিলদার সাদ আহমেদ সিন্ডিকেট করে ঘুষবাণিজ্য করেন। ঘুষের ভাগবণ্ডন নিয়ে আগেও একাধিকবার দুজন ঝগড়া করেছেন। গত বছর সেবাপ্রত্যাশী যুবলীগ নেতা বাবুল মিয়ার ও ছাত্রলীগ নেতা রাজিব মিয়ার সঙ্গে অফিসের ভেতরে মারামারিতে লিপ্ত হন পিয়ন আলী আখতার।
 
তহসিলদার সাদ আহমেদ জানান, অফিস সহায়ক আলী আখতার ও অশ্চিন্ত কুমার দাশ অফিসের নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করেন না। তারা ইচ্ছেমত অফিসে আসেন আর চলে যান। পিয়ন আলী আখতার প্রভাবশালী এক জনপ্রতিনিধির ভাতিজা হওয়ার সুবাদে বেশি বেপরোয়া।

তিনি বলেন, রোববার আলী আখতার ও অশ্চিত কুমার দাশ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অফিসে আসেন। হাজিরা বইতে অ্যাবসেন্ট দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমারে বেধড়ক মারধর করেন। মোবাইলফোনে ইউএনও মামুন খন্দকার ও এসিল্যান্ড সাব্বির আহমেদ আকুঞ্জী স্যারকে ঘটনা জানিয়েছি। লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বলেছেন। সুস্থ হয়ে লিখিত অভিযোগ দেবেন বলে তহসিলদার সাদ আহমেদ জানান।

অফিস সহায়ক আলী আখতার জানান, অশ্চিন্ত কুমার দাশকে একটি স্টেটমেন্ট দিয়ে এসিল্যান্ড অফিসে পাঠান সহকারী তহসিলদার রাজিব দাশ। তহসিলদার সাদ আহমেদ অফিসে এসে অশ্চিন্ত কুমার দাশকে দেখতে না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন। অশ্চিন্ত কুমার এসিল্যান্ড অফিস থেকে আসার পর গালিগালাজসহ চড় থাপ্পর মারতে থাকেন তিনি। এসময় দুজনের ঘটনা শান্ত করার চেষ্টা চালালে সাদ আহমেদ আমাকেও মারতে থাকেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির আহমেদ আকুঞ্জী লিখিত পেলে তাদের ডেকে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন।