দুদকের মামলায় পেশকারকে ২৮ বছরের কারাদণ্ড, ৮০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:২৪ | অনলাইন সংস্করণ

  ফরিদপুর ব্যুরো

প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে দুদকের মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার ও তার স্ত্রীর বিভিন্ন মেয়াদে অর্থদণ্ডসহ কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারিক হাকিম মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন। 

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জিএম শাখার কর্মচারী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. ইমাম উদ্দিনকে (৪৫) ২৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।  টাকা অনাদায়ে আরও সাত মাস ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

একইসঙ্গে এ কাজে সহায়তা করার জন্য ইমাম উদ্দিনের স্ত্রী শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কমলা আক্তারকে (৩৮) আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।  জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও দেড় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় মো. ইমাম উদ্দিন ও কমলা আক্তার আদালতে হাজির ছিলেন। রায়ের পর তাদের দুজনকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

ফরিদপুর দুদকের আইনজীবী মজিবর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ২৬ মে পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার হিসেবে দায়িত্বপালনকালে ইমাম উদ্দিন তার স্ত্রী অফিস সহকারী কমলা আক্তারের সহায়তায় আদালতের অর্থদণ্ডবাবদ পাওয়া ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ অভিযোগে ২০১৫ সালের ১৮ জুন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম জিনিয়া জিন্নাত বাদী হয়ে পালং থানায় সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। 

পরে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক হাফিজুর ইসলাম এ অভিযোগটি তদন্ত করে ইমাম উদ্দিন ও তার স্ত্রী কমলা আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন।