নগরভবনে দলবাজি চলবে না: মেয়র লিটন

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

  রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। ছবি: সংগৃহীত

নগরভবনে কোনো দলবাজি চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র (রাসিক) ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

রাসিকের সাবেক ও বতর্মান কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের উপশহরস্থ বাসভবনের পাশে বুধবার দুপুরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, নগরভবনে কোনো দলবাজি করতে দেয়া হবে না। এটি আমি এর আগেও বলেছি। এখনো বলছি। আর বিএনপি সমর্থক কাউন্সিলর বলে তাকে প্রজেক্ট দেয়া হবে না। সেটি হবে না। বিএনপির কাউন্সিলরও প্রজেক্ট পাবেন। যার যে ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন দেয়া প্রয়োজন, তাই দেয়া হবে। উন্নয়নের স্বার্থে এখানে দলমত বিচার করা হবে না।

জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার সন্তান মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আপনারা সবাই রাজনীতি বিষয়টি গেটের বাইরে রেখে নগরভবনে প্রবেশ করবেন। আবার নগরভবন থেকে বের হয়ে রাজনীতির কথা বলবেন-এতে আমার কোনো আপত্তি থাকবে না। কিন্তু নগরভবনে কোনো রাজনীতির কথা, দলবাজি হবে না।

তিনি বলেন, নগরভবনের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমাদের কাজ করতে হবে। কাউন্সিলরবৃন্দকে আমরা টিম করে দিব। তারা মানসম্মতভাবে উন্নয়নমূলক কাজগুলো করবেন।

মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, গত পাঁচ বছর রাজশাহীতে কোনো জায়গায় কাজ হয়নি। রাস্তা-ঘাটের কাজ হয়নি। আমার রেখে আসা প্রকল্পগুলো আলোর মুখ দেখেনি। থেমে থাকা এসব প্রকল্প সচলসহ ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে।

সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বার্ষিক আয় প্রায় ৫০ কোটি। এতো পুরাতন একটি সিটি করপোরেশনের বার্ষিক আয় এতো কম, তা হতে পারে না। আমাদের দক্ষ কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা আছেন, তারা খুঁজে বের করবেন কীভাবে সিটি কর্পোরেশনের আয় বাড়ানো যায়। আগামী ৫ বছর পর যখন আমি দায়িত্ব ছাড়াবো, তখন সিটি কর্পোরেশনের বার্ষিক আয়ের টার্গেট হবে ২০০ কোটি টাকা।

কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় সভায় রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের স্ত্রী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোমিন, কাউন্সিলর আবদুল হামিদ সরকার টেকন, মাহাতাব চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সভা শেষে মধ্যহ্নভোজে অংশ নেন সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলরবৃন্দ ও কর্মকর্তারা।