যশোর হাসপাতালে মৃত ভেবে ফেলে দেয়া নবজাতকের কান্না

  যশোর ব্যুরো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:১৬ | অনলাইন সংস্করণ

যশোরের ম্যাপ

যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রসবের পর মৃত ভেবে এক নবজাতককে কাপড়ে মুড়িয়ে টেবিলের নিচে ফেলে রাখার তিন ঘণ্টা পর কান্না করে ওঠে শিশুটি। পরে শিশুটিকে শিশু বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করছেন। প্রসূতি সালমা খাতুন যশোর শহরের খড়কি এলাকার বাসিন্দা।

প্রসূতি সালমা খাতুনের খালা আয়শা ও রোজিনার অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রসূতি ওয়ার্ডের তিন নম্বর বেডে প্রসূতির ব্যথা ওঠে। তখন সেবিকা ও চিকিৎসককে ডাকাডাকি করলে কেউ ডাকে সাড়া দেননি। পরে আয়া হেলেনা প্রসূতি সালমার অপরিপক্ব ২৭ সপ্তাহের শিশুকে বেডের ওপরে জন্ম দেন।

এ সময় বাচ্চা নড়াচড়া না করায় আয়া হেলেনা মৃত ভেবে শিশুটিকে কাপড়ে পেঁচিয়ে ওই বেডের নিচে রেখে দেন। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে প্রসূতির স্বজনরা শিশুর কান্নার শব্দ পেয়ে শিশুটিকে খোঁজা শুরু করেন। এ সময় বেডের নিচ থেকে তারা শিশুটিকে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করেন।

এই নিয়ে ওয়ার্ডের মধ্যে স্বজনদের সঙ্গে আয়া ও সেবিকাদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। খবর পেয়ে আবাসিক সার্জন নিলুফার ইয়াসমিন ওয়ার্ডে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নবজাতককে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি পরামর্শ দেন।

বুধবার দুপুরে টেলিফোনে যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালম আজাদ বলেন, ঘটনাটি যেভাবে বলা হচ্ছে, আসলে ঘটনা সেটি নয়। প্রসূতির বাচ্চার বয়স ২৭ সপ্তাহ। অপরিপক্ব বাচ্চা প্রসব করানো ঝুঁকিপূর্ণ। হাসপাতালে চিকিৎসকদের পরামর্শে ওষুধের মাধ্যমে বাচ্চাটি প্রসব করানো হয়। এরপর বাচ্চাটি র‌্যাপিং (মোড়ানো) করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রসূতির লোকজন ভুল বুঝেছে।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাটি জীবিত আছে। কিন্তু তাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হবে না। এই ধরনের বাচ্চা সাধারণত বাঁচানো যায় না।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×