পদ্মায় পানি বৃদ্ধি, বিপদসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:০৪ | অনলাইন সংস্করণ

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি, বিপদসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা
পাকশী হার্ডিঞ্জব্রিজ। ছবি: যুগান্তর

দেশের অন্যান্য বড় নদীর মতো পদ্মানদীতেও পানি বাড়ছে। পাকশী হার্ডিঞ্জব্রিজ পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। স্রোতের তীব্রতাও বেড়েছে।

রেলওয়ের পানি পরিমাপ কর্মী আব্দুল হামিদ জানান, পদ্মা নদীর পাকশী হার্ডিঞ্জব্রিজ পয়েন্টে সি-লেভেল হতে পানির বিপদসীমা ১৪ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ৫৯ সেন্টিমিটার। পদ্মার পানি বেড়ে এখন বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব বলেন, পদ্মার পানি প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। হার্ডিঞ্জব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা এখন ১৩ দশমিক ৫৯ সেন্টিমিটার। এখানকার বিপদসীমা হচ্ছে ১৪ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার।

ভরানদী দেখতে বহু মানুষ ভিড় করছে নদীতীরে। হার্ডিঞ্জব্রিজের ১৫টি স্প্যানের নিচের স্তর এখন পানিতে পরিপূর্ণ। নদীর গাইড ব্যাংক পর্যন্ত পানি পৌঁছে গেছে। অথচ মাসখানেক আগেও ১৫টি স্প্যানের আটটির নিচেই পানি ছিল না। হার্ডিঞ্জব্রিজের নিচে অস্থায়ী যে দোকানপাট গড়ে উঠেছিল, সেগুলোও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রমত্তা পদ্মার তীব্র স্রোত ও পানির তীব্রতা দেখতে শত শত মানুষ পদ্মা পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন।

পানি বাড়ায় পদ্মার চরে জেগে উঠা সাঁড়া ইউনিয়নের সাহেবনগর ও মোল্লাচরের বসতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। স্রোতের তীব্রতায় চরের অধিকাংশ ফসলি জমি ডুবে গেছে।

এছাড়াও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাঁড়া, পাকশী ও লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

সাঁড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, পানি বেড়ে যাওয়ায় নদীর মধ্যবর্তী চরে গড়ে উঠা বসতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। নদীর তীরে যেসব আবাদি জমি ছিল তা তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক রানা সরদার জানান, নদীতে পানি বেড়েছে। নদী শাসন বাঁধ থাকায় ভাঙনের কবল থেকে এলাকাবাসী রক্ষা পেয়েছে। স্রোতের তীব্রতা বেশি থাকলেও নদী শাসন বাঁধের কোথাও কোনো ক্ষয়-ক্ষতি এখনো হয়নি।

লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান শরিফ জানান, পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনও পর্যন্ত লক্ষীকুণ্ডার চরাঞ্চলের ফসলি জমিতে পানি উঠেনি। তবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে চরাঞ্চলের ফসলি জমি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×