পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের স্ত্রীকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন যুবলীগ নেতার
jugantor
পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের স্ত্রীকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন যুবলীগ নেতার

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:১১:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের স্ত্রীকে রশি দিয়ে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন ও মেয়েকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ভূইয়ার হাওলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বশির মোল্লার পরিবারের সঙ্গে ওই গ্রামের আব্দুর রহিম হাওলাদারের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে।

শুক্রবার সকালে যুবলীগ নেতা বশির ওই বিরোধী জমির গাছ থেকে নারিকেল পাড়তে যান। সেখানে এসে প্রতিপক্ষ রহিম হাওলাদারের স্ত্রী হালিদা বেগম বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হালিদাকে জোরপূর্বক লোকজন নিয়ে বশির তার নিজ বাড়িতে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান।

পরে বশির ও তার ভাই আলম মোল্লা তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে হালিদাকে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। এ খবর শুনে হালিদার স্বামী রহিম হাওলাদার ও তার মেয়ে রহিমা বেগম ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

এসময় মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে রহিমার মাথায় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে রহিম হাওলাদারকেও ধরে মারধর শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদেরকে রক্ষা করে।

রহিম হাওলাদার বলেন, তারা আমার স্ত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেছে। আমার মেয়েকেও কুপিয়ে আহত করেছে। আমাকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে। আমি এর বিচার দাবি করছি।

এ ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা বশির মোল্লা বলেন, আমাদের জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কোর্টে মামলা আছে। আমি কয়টা নারিকেল বস্তায় করে বাড়ির মধ্যে দেয়। এটা দেখে দৌড়ে এসে হালিদা আমার মাকে লাথি মারছে। তখন আমার বউ আর ভাবীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। আমরা ছাড়াইয়া দিছি। রহিমাকে কেউ কোপায়নি।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের স্ত্রীকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন যুবলীগ নেতার

 রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের স্ত্রীকে রশি দিয়ে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন ও মেয়েকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। 

শুক্রবার উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ভূইয়ার হাওলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানায়, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বশির মোল্লার পরিবারের সঙ্গে ওই গ্রামের আব্দুর রহিম হাওলাদারের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। 

শুক্রবার সকালে যুবলীগ নেতা বশির ওই বিরোধী জমির গাছ থেকে নারিকেল পাড়তে যান। সেখানে এসে প্রতিপক্ষ রহিম হাওলাদারের স্ত্রী হালিদা বেগম বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হালিদাকে জোরপূর্বক লোকজন নিয়ে বশির তার নিজ বাড়িতে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান। 

পরে বশির ও তার ভাই আলম মোল্লা তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে হালিদাকে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। এ খবর শুনে হালিদার স্বামী রহিম হাওলাদার ও তার মেয়ে রহিমা বেগম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। 

এসময় মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে রহিমার মাথায় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে রহিম হাওলাদারকেও ধরে মারধর শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদেরকে রক্ষা করে।   

রহিম হাওলাদার বলেন, তারা আমার স্ত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেছে। আমার মেয়েকেও কুপিয়ে আহত করেছে। আমাকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে। আমি এর বিচার দাবি করছি। 

এ ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা বশির মোল্লা বলেন, আমাদের জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কোর্টে মামলা আছে। আমি কয়টা নারিকেল বস্তায় করে বাড়ির মধ্যে দেয়। এটা দেখে দৌড়ে এসে হালিদা আমার মাকে লাথি মারছে। তখন আমার বউ আর ভাবীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। আমরা ছাড়াইয়া দিছি। রহিমাকে কেউ কোপায়নি।
 
রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন