উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন

দেবীদ্বারে নবজাতককে ৩ খণ্ড: আয়া ও পরিচ্ছন্নকর্মী বহিষ্কার

  দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:১৩ | অনলাইন সংস্করণ

দেবিদ্বারে নবজাতককে তিন খণ্ড: আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বহিষ্কার
হাসপাতাল এলাকায় নবজাতকের খণ্ডিত লাশ। ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রসবের সময় নবজাতককে তিন খণ্ড করার ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া জেসমিন আক্তার ডলি ও পরিচ্ছন্নকর্মী শিরিন আক্তারকে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেন।

অন্যদিকে ওই ঘটনা অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা যায়, গত শনিবার দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা বেগম নামে এক প্রসূতির সন্তান প্রসবকালে দুই সিনিয়র নার্স ও এক আয়ার হাতে তিন খণ্ড হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাৎ হোসেন।

ওই ঘটনা তদন্তে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের পৃথক একটি কমিটি গঠন করেন সিভিল সার্জন।

কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান যুগান্তরকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে আয়া জেসমিন আক্তার ডলি ও পরিচ্ছন্নকর্মী শিরিন আক্তারের সরাসরি দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছি। আর সিনিয়র নার্স ও ডাক্তারদের দায়িত্ব অবহেলার কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে তদন্ত কমিটি যদি দিতে পারে, তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

'যে শিশুটিকে নিয়ে এত কথা হচ্ছে, সেই শিশুটি সাড়ে সাত মাসের মৃত ছিল। প্রসবের সময় আমাদের দুজন সিনিয়র নার্স ও আয়া অংশ নিয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের চিকিৎসকরা কেন অবগত ছিলেন না সে বিষয়টিও তদন্ত কমিটি ক্ষতিয়ে দেখবে এবং মৃত বাচ্চাটির ব্যাপারেও যথাসময়ে আমাদের কেন অবগত করানো হয়নি, সেই বিষয়টিও তদন্ত কমিটি ক্ষতিয়ে দেখবে', বলেন সিভিল সার্জন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলা কমপ্লেক্সের গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. তামান্না আফতাব সোলাইমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটিতে আরও ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মঞ্জুর রহমান ও মেডিকেল অফিসার ডা. আহসানুল হক মিলু।

কিন্তু ঘটনার সময় ডা. আহসানুল হক মিলু রাত্রীকালীন ডিউটিরত থাকায় সোমবার দুপুরে ওই তদন্ত কমিটি থেকে তাকে বাদ দিয়ে শিশু কনসালট্যান্ট ডা. আশরাফুল ইসলামকে কমিটিতে যুক্ত করা হয়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter