জমির জন্য যুবককে হত্যার অভিযোগ
সোনাইমুড়ি (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৫, ০৯:১৪ পিএম
প্রতীকী ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কামরুল হুদা (৪০) নামে একজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
রোববার বিকাল ৫টার দিকে বারগাঁও চৌধুরী বাড়ির দীঘি থেকে লাশটি উদ্ধার করে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ।
নিহত কামরুল হুদা উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের মেম্বারের নতুন বাড়ির মোস্তফার ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন থেকে কামরুল হুদার সঙ্গে শামিম গংদের ৯ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার (১৭ জুন) কামরুল হুদার সঙ্গে জমি নিয়ে শামিমদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যয়ে কামরুল, শামিম গংদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে শামিম, মনির, নুরু মোল্লা গুরুতর আহত হন। ১৯ জুন সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ি থানায় একটি মারধরের মামলা করে শামিম। ওই দিন কামরুলকে ধরার জন্য চৌধুরী বাড়ির সামনে তাড়া করে পুলিশ। পরে রাত ২টায় জুতার জন্য বারগাঁও চৌধুরী বাড়ির দোকানের সামনে যান কামরুল। এ সময় অজ্ঞাত দুই লোক তাকে তাড়া করলে এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে সোনাইমুড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে তার পরিবার।
রোববার দুপুর ১টায় স্থানীয়রা বারগাঁও চৌধুরী বাড়ির দীঘিতে একটি লাশ দেখতে পেয়ে সোনাইমুড়ি থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
কামরুলের বোন পারুল আক্তার জানান, আমার ভাইকে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নুরুল হুদার স্ত্রী লাকী বেগম, শামীম, মনির, নুরু মোল্লা। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।
সোনাইমুড়ি থানার ওসি মোর্শেদ আলম যুগান্তরকে বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
তিনি জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
