মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে শিক্ষিকার মামলা
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের রামদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনামুল হক ও তার স্ত্রী সোমা আক্তারের বিরুদ্ধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেছেন আরেক শিক্ষিকা।
বুধবার কুলিয়ারচর থানায় বড়চর মোহাম্মদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ মামলার পর থেকে আত্মগোপন রয়েছেন বিবাদী শিক্ষক দম্পতি।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়চর মোহাম্মদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে সহকর্মী বিলকিস আক্তার সোমার সঙ্গে ওই শিক্ষিকার বাগবিতণ্ডা হয়।
এ ঘটনায় সোমা তার স্বামী পার্শ্ববর্তী রামদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনামুল হককে খবর দিয়ে আনেন। এ সময় বিলকিস আক্তার ও তার স্বামী বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কোনো রকম কথাবার্তা না জিজ্ঞেস করেই ওই শিক্ষিকাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। ঘটনাস্থলে শিক্ষিকার স্বামী এলে তাকেও মারধর করেন ওই শিক্ষক দম্পতি।
এ ঘটনার খবর পেয়ে দায়িত্বরত উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা এবং স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিলে প্রাথমিকভাবে এ ঘটনার মীমাংসার চেষ্টা করেন।
এরপরও ভুক্তভোগী শিক্ষিকাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি ধমকি দেওয়া অব্যাহত থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতার কারণে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে ওই শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় মামলা করেন।
অভিযুক্ত এনামুল হক বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে তার সহকর্মীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এর মীমাংসাও হয়েছে। পরে সহকারী শিক্ষিকা আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
কুলিয়ারচর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, মামলার পর থেকে বিবাদী শিক্ষক দম্পতি গা ঢাকা দিয়েছেন। তাদের আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
