করোনা আতঙ্ক: নোয়াখালীতে বিনা চিকিৎসায় আরও একজনের মৃত্যু
jugantor
করোনা আতঙ্ক: নোয়াখালীতে বিনা চিকিৎসায় আরও একজনের মৃত্যু

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৫ মার্চ ২০২০, ২২:০৩:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীতে অসুস্থ রোগীকে কোনো হাসপাতাল ভর্তি না করায় এবং কোনো চিকিৎসক চিকিৎসা না দেয়ায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এতে সাধারণ রোগীদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আলাইয়ারপুর গ্রামের আশ্রাফ আলী ভুঞা বাড়ির বেলায়েত হোসেন ওরফে কালা খোকন (৪০) শনিবার থেকে ফ্লু জ্বরে ভুগছিলেন।

সোমবার তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আত্মীয়স্বজন তাকে নোয়াখালী প্রাইম প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল তাকে ভর্তি না করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।

খোকনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার শরীরের তাপমাত্রা দেখে ভর্তি না করে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আত্মীয়রা তাকে ঢাকায় না নিয়ে বাড়ি নিয়ে যায়। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি বিনা চিকিৎসায় মারা যান।

এর আগে সোমবার নোয়াখালী সদরের এওয়াজবালিয়ার আবদুর রহিম (৬০) টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এলে জরুরি বিভাগ থেকেই তাকে ফেরত দেয়া হয়। বাড়ি নেয়ার পথেই তিনি মারা যান।

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কথা স্বীকার করে জানান, হৃদরোগে মৃত্যুর পরও এলাকাবাসী প্রথম তাকে করোনার রোগী মনে করে আতঙ্কে দাফন করতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে তার নির্দেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে রাতেই তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকা থেকে আসা চিকিৎসকরা নোয়াখালীতে চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন এবং স্থানীয় চিকিৎসকরাও তাদের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন না। প্রাইভেট হাসপাতালের ডাকেও সাড়া দেন না। সরকারি হাসপাতালেও জ্বর, সর্দি, হাঁচি, কাশি, হাঁপানির রোগীদের অঘোষিতভাবে চিকিৎসা বন্ধ রেখেছে চিকিৎসকরা।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন বলেন, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের আসামাত্রই চিকিৎসা দিতে পুনর্নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

করোনা আতঙ্ক: নোয়াখালীতে বিনা চিকিৎসায় আরও একজনের মৃত্যু

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৫ মার্চ ২০২০, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীতে অসুস্থ রোগীকে কোনো হাসপাতাল ভর্তি না করায় এবং কোনো চিকিৎসক চিকিৎসা না দেয়ায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এতেসাধারণ রোগীদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আলাইয়ারপুর গ্রামের আশ্রাফ আলী ভুঞা বাড়ির বেলায়েত হোসেন ওরফে কালা খোকন (৪০) শনিবার থেকে ফ্লু জ্বরে ভুগছিলেন।

সোমবার তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আত্মীয়স্বজন তাকে নোয়াখালী প্রাইম প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল তাকে ভর্তি না করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।

খোকনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার শরীরের তাপমাত্রা দেখে ভর্তি না করে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আত্মীয়রা তাকে ঢাকায় না নিয়ে বাড়ি নিয়ে যায়। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি বিনা চিকিৎসায় মারা যান।

এর আগে সোমবার নোয়াখালী সদরের এওয়াজবালিয়ার আবদুর রহিম (৬০) টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এলে জরুরি বিভাগ থেকেই তাকে ফেরত দেয়া হয়। বাড়ি নেয়ার পথেই তিনি মারা যান।

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কথা স্বীকার করে জানান, হৃদরোগে মৃত্যুর পরও এলাকাবাসী প্রথম তাকে করোনার রোগী মনে করে আতঙ্কে দাফন করতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে তার নির্দেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে রাতেই তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকা থেকে আসা চিকিৎসকরা নোয়াখালীতে চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন এবং স্থানীয় চিকিৎসকরাও তাদের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন না। প্রাইভেট হাসপাতালের ডাকেও সাড়া দেন না। সরকারি হাসপাতালেও জ্বর, সর্দি, হাঁচি, কাশি, হাঁপানির রোগীদের অঘোষিতভাবে চিকিৎসা বন্ধ রেখেছে চিকিৎসকরা।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন বলেন, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের আসামাত্রই চিকিৎসা দিতে পুনর্নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস