শেরপুরের আওয়াল করোনায় মারা যাননি
jugantor
শেরপুরের আওয়াল করোনায় মারা যাননি

  শেরপুর প্রতিনিধি  

০১ এপ্রিল ২০২০, ২২:০০:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ পলাশীকুড়া গ্রামের আব্দুল আওয়াল (৫৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

শেরপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনওয়ারুর রউফ বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আবদুল আওয়াল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। বুধবার আমরা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পেয়েছি। তার পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তাই ওই গ্রামের ১০ বাড়ির লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে। এখন থেকে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ পলাশীকুড়া গ্রামের আবদুল আওয়াল গত রোববার রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে নিজ বাড়িতে মারা যান। এতে গ্রামবাসী লক্ষণ দেখে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আওয়াল মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করেন।

সোমবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনওয়ারুর রউফ ও তার টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠান। মৃতের বাড়িসহ আশপাশের গ্রামের ১০ বাড়ির লকডাউন করে দেন।

পরিবারের সদস্যদের মতে, মৃত আবদুল আওয়াল আগে থেকেই শ্বাসকষ্টের রোগী ছিলেন। মারা যাওয়ার ৪ দিন আগে ছুটি পেয়ে বাড়িতে এলে তার অসুখ আরও বেড়ে গিয়েছিল। তিনি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় একটি পাইলিং কনস্ট্রাকশনের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শেরপুরের আওয়াল করোনায় মারা যাননি

 শেরপুর প্রতিনিধি 
০১ এপ্রিল ২০২০, ১০:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ পলাশীকুড়া গ্রামের আব্দুল আওয়াল (৫৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

শেরপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনওয়ারুর রউফ বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আবদুল আওয়াল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। বুধবার আমরা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পেয়েছি। তার পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তাই ওই গ্রামের ১০ বাড়ির লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে। এখন থেকে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ পলাশীকুড়া গ্রামের আবদুল আওয়াল গত রোববার রাত ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টে নিজ বাড়িতে মারা যান। এতে গ্রামবাসী লক্ষণ দেখে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আওয়াল মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করেন।

সোমবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনওয়ারুর রউফ ও তার টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠান। মৃতের বাড়িসহ আশপাশের গ্রামের ১০ বাড়ির লকডাউন করে দেন।

পরিবারের সদস্যদের মতে, মৃত আবদুল আওয়াল আগে থেকেই শ্বাসকষ্টের রোগী ছিলেন। মারা যাওয়ার ৪ দিন আগে ছুটি পেয়ে বাড়িতে এলে তার অসুখ আরও বেড়ে গিয়েছিল। তিনি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় একটি পাইলিং কনস্ট্রাকশনের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস