নড়িয়ায় করোনায় মৃতের বোন ও মেয়ের পরিবার লকডাউন

  ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২৩:৫৫:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নে রথিরপাড়া গ্রামে করোনাভাইরাসে মৃত আমানউল্লাহ বেপারীর ছোট ভাই আলাউদ্দিন বেপারীকে (৬০) তার বোনের বাড়িতে লকডাউনে রাখা হয়েছে। শনিবার সখিপুর থানার ডিএমখালী ইউনিয়নের হকপুরের বাসিন্দা মৃত আজহারুল বেপারীর বাড়িতে তাকে লকডাউনে রাখা হয়।

একইসঙ্গে আজহারুল বেপারীর পুরো পরিবারকেও লকডাউনে রাখা হয়েছে। এছাড়া মৃতের মেয়ে সামিরা বেগমের পুরো বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। সামিরা সখিপুরের চরসেনসাস ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিন বালার স্ত্রী। ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সখিপুর থানা পুলিশ তাদেরকে লকডাউনে পাঠায়।

স্থানীয়, সখিপুর থানা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বেপারী ৪ দিন আগে সখিপুর থানার ডিএমখালী ইউনিয়নে তার বোন সখিনা বেগমের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

এদিকে শনিবার সকাল ১০টায় তার বড় ভাই আমানুল্লাহ বেপারী ঢাকার বক্ষ্যব্যাধি হাসপালে মারা যান। পরীক্ষায় তার দেহে করোনাভাইরাসের নমুনা পজিটিভ পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে পুরো জেলায়ি হই চই সৃষ্টি হয়। লকডাউন করা হয় মৃত আমানুল্লাহ বেপারীর বাড়িসহ আশেপাশের ২৪টি বাড়ি।

আর বেড়াতে আসা তার ছোট ভাই আলাউদ্দিন বেপারীকে লকডাউনে রাখা হয় সখিপুরে। সংস্পর্শে এসেছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে লকডাউন করা হয় তার মেয়ে সামিরার বাড়িও।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, নড়িয়ার আমানুল্লাহ বেপারীর করোনায় মৃত্যু ঘটেছে। তার সংস্পর্শে এসেছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সখিপুরে তার স্বজনদের পরিবারকেও লকডাউনে রাখা হয়েছে।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর আল নাসীফ বলেন, যেহেতু তারা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিল, সেই কারণে তাদের দুই পরিবারকে লকডাউনে রাখা হয়েছে। আমাদের সঙ্গে মেডিকেল টিমও ছিল। তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। আশেপাশের লোকজনকে পরামর্শ দিয়েছি যাতে তাদের সংস্পর্শে না যায়।

উল্লেখ্য, আমানুল্লাহ বেপারী গত ১এপ্রিল হৃদরোগ জনিত সমস্যা নিয়ে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কম্প্লেক্সে ভর্তি হন। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকার বক্ষ্যব্যাধি হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসকরা। শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। পরে পরীক্ষা শেষে তার দেহে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তার এক ছেলে মাস খানেক আগে ইতালি থেকে দেশে ফিরেছে।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত