দৌলতদিয়া ঘাটে সেনা টহল, যান পারাপারে কড়াকড়ি

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:৩৪:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

দৌলতদিয়া ঘাটে সেনা টহল

আগের দিন শনিবার গার্মেন্টস কর্মীসহ শ্রমজীবী মানুষের ঢল নেমেছিল দেশের ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে।

গাদাগাদি করে ফেরিতে মানুষ পারাপারের সেই ছবি ও সংবাদ যুগান্তরে প্রকাশিত হয়। অন্যান্য জাতীয় গণমাধ্যমও এ সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সারা দেশে সরকারি ছুটি, লকডাউন ও যানবাহন বন্ধের মধ্যে এভাবে অবাধে অসংখ্য মানুষের চলাচল নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ অবস্থায় রোববার সকাল থেকে নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় প্রশাসন। সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টহল দিতে থাকেন।

পুলিশ ও ফেরির সংশ্লিষ্টরা জানান, অ্যাম্বুলেন্স এবং এ জাতীয় অতি জরুরি যানবাহন পারাপারের জন্য সকাল ৬টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত নৌরুটে মাত্র দুটি ফেরি চালু রাখা হয়। এর মধ্যে ঘাট এলাকায় বিভিন্ন কাঁচামাল ও অন্যান্য জরুরি মালামালের শতাধিক যানবাহন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় আটকা পড়লে কর্তৃপক্ষ বিকাল ৪টার দিকে আরও ৪টি ফেরি চালু করে। তবে মানুষের পারাপার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

এ দিকে গার্মেন্টস খোলা রাখা ও রোববারের মধ্যে কাজে যোগদানের বাধ্যবাধকতার খবর প্রচারের পর ৫ এপ্রিল রোববার থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণা করে বিজিএমইএ। এ অবস্থায় কাজে যোগ দিতে যাওয়া অনেক শ্রমিক পুনরায় ফিরতে শুরু করেছেন। তারা পাটুরিয়া ঘাটে এসে লঞ্চ ও ফেরি না পেয়ে ট্রলারযোগে নদী পার হচ্ছেন।

একইভাবে দৌলতদিয়া ঘাট থেকেও বহু মানুষকে ট্রলার ও জেলে নৌকায় দ্বিগুণ-তিন গুণ ভাড়া দিয়ে নদী পার হতে দেখা যায়।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আবদুল্লাহ রনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স ও অতি জরুরি যান পারাপারের জন্য রোববার সকাল থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ২টি ফেরি চালু রাখা হয়। তবে ঘাটে কাঁচামালসহ অন্যান্য জরুরি পণ্যবোঝাই অনেক যানবাহন আটকে যাওয়ায় বিকাল ৪টা থেকে আরও ৪টি ফেরি বাড়ানো হয়েছে।

এ ছাড়া ফেরিতে ও ঘাট এলাকায় জনসমাগম বন্ধ করতে ঘাটে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে তিনি জানান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে মানুষের পারাপার ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত