‘চাকরিতে না গেলে বাদ দিয়ে দেবে’

  শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:৪৬:৫০ | অনলাইন সংস্করণ

দলে দলে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গার্মেন্টস খোলার ঘোষণায় সরকারি নির্দেশনা ভেঙে শনিবার রাত থেকে কর্মস্থলে ছুটছে মানুষ।

ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে দেখা গেছে শত শত শ্রমিকের ভিড়। এদের অধিকাংশই ভেঙে ভেঙে দুর্ভোগের মধ্যে ফিরছেন ঢাকার পথে।

শেরপুর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের টহল এর মধ্যেই অলি-গলিতে লুকিয়ে থাকে। বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স আসলেই সেগুলোতে উঠে ফেরার চেষ্টা করছে কর্মস্থল ঢাকায়। এ স্রোত ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

কাজীপুর ধুনট থেকে শেরপুর ধুনটমোড় এলাকায় বাসের জন্য অপেক্ষায় বসে থাকা একটি পোশাক তৈরির কারখানার শ্রমিক মর্জিনা খাতুন, আঞ্জুমান আরা, কফিল উদ্দিন বলেন, ঘরে থাকব কীভাবে? হাতে কোনো টাকা-পয়সা নেই। আবার চাকরিতে না গেলে বাদ দিয়ে দেবে। সরকারের আদেশও মানতে হবে আবার পেটটাও চালাতে হবে। অনেক কষ্টে ঢাকা ফিরছি। গার্মেন্টসে পৌঁছাতে পারলেই বেতন পাব।

শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, একদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আমাদের পথে নামানো হয়েছে। অন্যদিকে আবার পোশাক তৈরির কারখানা খোলার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আমরা নিজেরাও বুঝে উঠতে পারছি না আমাদের কী করা উচিত।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ জানান, প্রশাসনের তৎপরতার কারণে ঢাকা ফেরত অসংখ্য মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় অনেক বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সের জরিমানাও করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না গার্মেন্টস খোলা রাখায় তারা কোনো কিছুই মানছে না।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত