কেন্দুয়ায় জ্বর পাতলা পায়খানায় যুবকের মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ
jugantor
কেন্দুয়ায় জ্বর পাতলা পায়খানায় যুবকের মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ

  নেত্রকোনা ও কেন্দুয়া প্রতিনিধি  

০৬ এপ্রিল ২০২০, ২১:১৪:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর শহরের ৯নং ওয়ার্ডের নল্লা এলাকায় জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিয়ে এক যুবক (২১) মারা গেছেন।

সোমবার সকালে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান রহুল ইসলাম ও কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, ওই যুবক পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। কিছুদিন ধরে তিনি হালকা জ্বর ও পাতলা পায়খানায় ভুগছিলেন। এ ছাড়া পূর্ব থেকে তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন।

তিনি বলেন, মৃত্যুকালে তার কোনো করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল না। তবুও সতর্কতা হিসেবে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন দিয়ে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কী না তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে বিকালে তার দাফন সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে বাড়ির লোকজনকে মুক্তভাবে চলাফেরা না করতে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাহিদ হাসান বলেন, ওই যুবক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি না জানতে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হবে। কি কারণে তিনি মারা গেছেন গবেষণাগারে নমুনা পরীক্ষা করে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কেন্দুয়ায় জ্বর পাতলা পায়খানায় যুবকের মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ

 নেত্রকোনা ও কেন্দুয়া প্রতিনিধি 
০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৯:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর শহরের ৯নং ওয়ার্ডের নল্লা এলাকায় জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিয়ে এক যুবক (২১) মারা গেছেন।

সোমবার সকালে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান রহুল ইসলাম ও কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, ওই যুবক পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। কিছুদিন ধরে তিনি হালকা জ্বর ও পাতলা পায়খানায় ভুগছিলেন। এ ছাড়া পূর্ব থেকে তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন।

তিনি বলেন, মৃত্যুকালে তার কোনো করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল না। তবুও সতর্কতা হিসেবে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন দিয়ে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কী না তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে বিকালে তার দাফন সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে বাড়ির লোকজনকে মুক্তভাবে চলাফেরা না করতে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।  

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাহিদ হাসান বলেন, ওই যুবক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি না জানতে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হবে। কি কারণে তিনি মারা গেছেন গবেষণাগারে নমুনা পরীক্ষা করে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস