টাঙ্গাইল লকডাউন
jugantor
টাঙ্গাইল লকডাউন

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০৭ এপ্রিল ২০২০, ১৮:২৩:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইল লকডাউন

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকে লকডাউন করেছে প্রশাসন।

লকডাউন চলাকালে টাঙ্গাইল জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হবে।

একই সঙ্গে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার চতুর্দিকে চেকপোস্ট বসানো হবে। যাতে করে শহরে বা জেলায় কোনো গণপরিবহনসহ কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। আবার কেউ যেন বাইরে যেতে না পারে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সদর আসনের এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন, লে. কর্নেল মোহাম্মদ সোহেল রানা, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মোশারফ হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদ উল্লাহ, পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

করোনা প্রতিরোধে সব জনসাধারণকে ঘরে থাকতে হবে এবং শহরে কোনো প্রকার ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান বা সব ধরনের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ওষুধ, খাদ্য পণ্যবাহী যানবাহন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী, সংবাদকর্মীরা এ সিদ্ধান্তের আওতার বাইরে থাকবে।

সভা শেষ করে শহরের ব্যস্ততম পার্কবাজার পরিদর্শন করেন এবং বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কাঁচা বাজার পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ ময়দানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

এ দিকে টাঙ্গাইল পৌরসভা, টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স, শহর আওয়ামী লীগ ও জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে শহরে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।

এ সময় অকারণে ঘরের বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের পেটানো ও কানধরে উঠবস করানো হয়। আর এর নেতৃত্বে ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল ও জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ।

টাঙ্গাইল লকডাউন

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০৭ এপ্রিল ২০২০, ০৬:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল লকডাউন
টাঙ্গাইল লকডাউন

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকে লকডাউন করেছে প্রশাসন।

লকডাউন চলাকালে টাঙ্গাইল জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হবে।

একই সঙ্গে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার চতুর্দিকে চেকপোস্ট বসানো হবে। যাতে করে শহরে বা জেলায় কোনো গণপরিবহনসহ কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। আবার কেউ যেন বাইরে যেতে না পারে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সদর আসনের এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন, লে. কর্নেল মোহাম্মদ সোহেল রানা, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মোশারফ হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদ উল্লাহ, পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

করোনা প্রতিরোধে সব জনসাধারণকে ঘরে থাকতে হবে এবং শহরে কোনো প্রকার ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান বা সব ধরনের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ওষুধ, খাদ্য পণ্যবাহী যানবাহন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী, সংবাদকর্মীরা এ সিদ্ধান্তের আওতার বাইরে থাকবে।

সভা শেষ করে শহরের ব্যস্ততম পার্কবাজার পরিদর্শন করেন এবং বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কাঁচা বাজার পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ ময়দানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

এ দিকে টাঙ্গাইল পৌরসভা, টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স, শহর আওয়ামী লীগ ও জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে শহরে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।

এ সময় অকারণে ঘরের বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের পেটানো ও কানধরে উঠবস করানো হয়। আর এর নেতৃত্বে ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল ও জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস