পীরগঞ্জে করোনা সন্দেহে মা-ছেলের নমুনা সংগ্রহ, বাড়ি লকডাউন
jugantor
পীরগঞ্জে করোনা সন্দেহে মা-ছেলের নমুনা সংগ্রহ, বাড়ি লকডাউন

  পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি  

০৭ এপ্রিল ২০২০, ২২:১১:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে মা ও ছেলের নমুনা সংগ্রহ করে বাড়িটি লকডাউন করেছে প্রশাসন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়ির এক তরুণের অসুস্থতার কথা জানতে পেরে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘোষণা দেয় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরিকুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত এক তরুণ (১৮) রোববার ছুটিতে ঢাকা থেকে সাটিয়া গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

জ্বর,সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলেও ওই তরুণ বাড়িতে না থেকে এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবাধে ঘোরাফেরা করছিলেন। ওই তরুণের অসুস্থতার কথা জানতে পেরে তাদের বাড়িতে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরিকুল ইসলাম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল জব্বার। ওই তরুণের ও তার মায়ের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে বাড়ি ‘লকডাউন’ করে দেন।

ডা. আবদুল জব্বার জানান, তাদের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কী না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম বলেন, আগামী ১৪ দিন ওই বাড়িতে কোনো মানুষ প্রবেশ করবে না এবং ওই বাড়ি থেকে কেউ বের হবে না। তবে ওই বাড়ির লোকজনের খাওয়াসহ সার্বিক বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এলাকাবাসীকে ওই বাড়ির লোকজনের প্রতি মানবিক আচরণ করতে বলা হয়েছে।

পীরগঞ্জে করোনা সন্দেহে মা-ছেলের নমুনা সংগ্রহ, বাড়ি লকডাউন

 পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি 
০৭ এপ্রিল ২০২০, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে মা ও ছেলের নমুনা সংগ্রহ করে বাড়িটি লকডাউন করেছে প্রশাসন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়ির এক তরুণের অসুস্থতার কথা জানতে পেরে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘোষণা দেয় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরিকুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত এক তরুণ (১৮) রোববার ছুটিতে ঢাকা থেকে সাটিয়া গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

জ্বর,সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলেও ওই তরুণ বাড়িতে না থেকে এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবাধে ঘোরাফেরা করছিলেন। ওই তরুণের অসুস্থতার কথা জানতে পেরে তাদের বাড়িতে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরিকুল ইসলাম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল জব্বার। ওই তরুণের ও তার মায়ের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে বাড়ি ‘লকডাউন’ করে দেন।
 
ডা. আবদুল জব্বার জানান, তাদের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কী না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম বলেন, আগামী ১৪ দিন ওই বাড়িতে কোনো মানুষ প্রবেশ করবে না এবং ওই বাড়ি থেকে কেউ বের হবে না। তবে ওই বাড়ির লোকজনের খাওয়াসহ সার্বিক বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এলাকাবাসীকে ওই বাড়ির লোকজনের প্রতি মানবিক আচরণ করতে বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস