অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি!
jugantor
অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি!

  সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৭ এপ্রিল ২০২০, ২২:৩২:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে জনগণকে বাড়িতে থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মূলত মানুষ যেন এক স্থান থেকে অন্যস্থানে না যেতে পারে এ জন্য গণপরিবহনও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু জরুরি সেবার জন্য এই ঘোষণার বাইরে ছিল অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু ঢাকার সাভারে যাত্রীরা স্থান পরিবর্তন করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তারা স্থান পরিবর্তন করছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার সিটি সেন্টারের সামনে ১৫-২০ জন যাত্রী নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেয় একটি অ্যাম্বুলেন্স।

অ্যাম্বুলেন্সে মনির নামের এক যাত্রী যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন ঢাকায় বন্দি অবস্থায় আছি। রাস্তায় কোনো গণপরিবহন না পাওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা অ্যাম্বুলেন্সের চালকের সঙ্গে কথা হয়। দেড় হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি আমাকে পাটুরিয়া ছেড়ে আসবেন। এর পর আমি অন্য গাড়িতে রাজবাড়ী চলে যাব।

তিনি বলেন, আপনি গেলে চলে আসেন, পরে আর গাড়ি পাবেন না।

সড়কের পাশের দাঁড়িয়ে আছে পোশাক কারখানার বেশ কিছু শ্রমিক ও দিনমজুর। এ সময় কথা হয় খালেদ নামের এক শ্রমিকের সঙ্গে। তার বাবা অসুস্থ থাকার কারণে তাকে দেখতে সাভার থেকে খুলনা যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়েছেন। সুযোগ বুঝে ৮০০ টাকা চুক্তি করে অ্যাম্বুলেন্সটিতে উঠে গেলেন তিনি।

এ সময় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সামাজিক দূরত্ব তৈরি করতে বিভিন্ন পরিবহনের উপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহফুজ।

এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকায় প্রবেশ ও বের হ্ওয়ার জন্য উল্লেখযোগ্য পথ ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। এই প্রবেশ পথে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চেকপোস্ট রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে চেকপোস্টের আগে যাত্রীরা গাড়ি থেকে নেমে চেকপোস্ট অতিক্রম করে আবার গাড়িতে উঠছে। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি!

 সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৭ এপ্রিল ২০২০, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি
অ্যাম্বুলেন্স যখন যাত্রীবাহী গাড়ি

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে জনগণকে বাড়িতে থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মূলত মানুষ যেন এক স্থান থেকে অন্যস্থানে না যেতে পারে এ জন্য গণপরিবহনও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু জরুরি সেবার জন্য এই ঘোষণার বাইরে ছিল অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু ঢাকার সাভারে যাত্রীরা স্থান পরিবর্তন করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তারা স্থান পরিবর্তন করছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার সিটি সেন্টারের সামনে ১৫-২০ জন যাত্রী নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেয় একটি অ্যাম্বুলেন্স।

অ্যাম্বুলেন্সে মনির নামের এক যাত্রী যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন ঢাকায় বন্দি অবস্থায় আছি। রাস্তায় কোনো গণপরিবহন না পাওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা অ্যাম্বুলেন্সের চালকের সঙ্গে কথা হয়। দেড় হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি আমাকে পাটুরিয়া ছেড়ে আসবেন। এর পর আমি অন্য গাড়িতে রাজবাড়ী চলে যাব।

তিনি বলেন, আপনি গেলে চলে আসেন, পরে আর গাড়ি পাবেন না।

সড়কের পাশের দাঁড়িয়ে আছে পোশাক কারখানার বেশ কিছু শ্রমিক ও দিনমজুর। এ সময় কথা হয় খালেদ নামের এক শ্রমিকের সঙ্গে। তার বাবা অসুস্থ থাকার কারণে তাকে দেখতে সাভার থেকে খুলনা যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়েছেন। সুযোগ বুঝে ৮০০ টাকা চুক্তি করে অ্যাম্বুলেন্সটিতে উঠে গেলেন তিনি।

এ সময় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সামাজিক দূরত্ব তৈরি করতে বিভিন্ন পরিবহনের উপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহফুজ।

এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকায় প্রবেশ ও বের হ্ওয়ার জন্য উল্লেখযোগ্য পথ ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। এই প্রবেশ পথে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চেকপোস্ট রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে চেকপোস্টের আগে যাত্রীরা গাড়ি থেকে নেমে চেকপোস্ট অতিক্রম করে আবার গাড়িতে উঠছে। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস