কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকসহ দু’জন করোনায় আক্রান্ত
jugantor
কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকসহ দু’জন করোনায় আক্রান্ত

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২০, ১৮:৩৬:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় এবার সরকারি হাসপাতালের এক চিকিৎসকসহ দু’জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত দু’জনই পুরুষ।

জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কেবল তাদেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম।

আক্রান্ত চিকিৎসক ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অপর আক্রান্ত ব্যক্তি কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চর মহেন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনার উপসর্গ থাকায় ২১ এপ্রিল চিকিৎসকসহ অপর এক বৃদ্ধার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করতে পরের দিন ২২ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ দু’জনের রেজাল্ট পজিটিভ আসে।

এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় গত দু’দিনে পাঁচজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হল। ভেড়ামারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শরীরে তেমন উপসর্গ না থাকায় প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছিলেন ওই মেডিকেল অফিসার। কিছুক্ষণ পরই তার করোনাভাইরাস শনাক্তের সংবাদ আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়া ওই চিকিৎসক ভেড়ামারা শহরের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট হাসপাতাল সনো হাসপাতাল এবং ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে সনো লজিষ্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্ত্রী, সন্তান ঢাকায় থাকেন। তিনি একাই ভেড়ামারা শহরের দক্ষিণ রেল গেট এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ চিকিৎসকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় এখানে কর্মরত ১২ জন চিকিৎসক, ১২ জন নার্সসহ প্রায় ৬৫ জন স্টাফের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। সিভিল সার্জন জানান, চিকিৎসক করোনা শনাক্ত হওয়ায় তার সংস্পর্শে আসা বেশ কয়েকজন চিকিৎসকসহ স্টাফদের আইসোলেশনে পাঠানো হবে।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল মারুফ জানান, শনাক্ত হওয়ার পর ওই চিকিৎসককে তার বাড়িতে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওই বাড়িটিও লকডাউন করা হয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আকুল উদ্দিন জানান, আক্রান্ত বৃদ্ধের ছেলে ও বউ এক সপ্তাহ আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামের বাড়ি কুমারখালীর চর মহেন্দ্রপুর আসেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই পরিবারের অন্য কোনো সদস্যর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তের বাড়িসহ আশপাশের এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকসহ দু’জন করোনায় আক্রান্ত

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় এবার সরকারি হাসপাতালের এক চিকিৎসকসহ দু’জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত দু’জনই পুরুষ।

জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কেবল তাদেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম।

আক্রান্ত চিকিৎসক ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অপর আক্রান্ত ব্যক্তি কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চর মহেন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনার উপসর্গ থাকায় ২১ এপ্রিল চিকিৎসকসহ অপর এক বৃদ্ধার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করতে পরের দিন ২২ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ দু’জনের রেজাল্ট পজিটিভ আসে।

এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় গত দু’দিনে পাঁচজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হল। ভেড়ামারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শরীরে তেমন উপসর্গ না থাকায় প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছিলেন ওই মেডিকেল অফিসার। কিছুক্ষণ পরই তার করোনাভাইরাস শনাক্তের সংবাদ আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়া ওই চিকিৎসক ভেড়ামারা শহরের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট হাসপাতাল সনো হাসপাতাল এবং ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে সনো লজিষ্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্ত্রী, সন্তান ঢাকায় থাকেন। তিনি একাই ভেড়ামারা শহরের দক্ষিণ রেল গেট এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ চিকিৎসকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় এখানে কর্মরত ১২ জন চিকিৎসক, ১২ জন নার্সসহ প্রায় ৬৫ জন স্টাফের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। সিভিল সার্জন জানান, চিকিৎসক করোনা শনাক্ত হওয়ায় তার সংস্পর্শে আসা বেশ কয়েকজন চিকিৎসকসহ স্টাফদের আইসোলেশনে পাঠানো হবে।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল মারুফ জানান, শনাক্ত হওয়ার পর ওই চিকিৎসককে তার বাড়িতে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওই বাড়িটিও লকডাউন করা হয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আকুল উদ্দিন জানান, আক্রান্ত বৃদ্ধের ছেলে ও বউ এক সপ্তাহ আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামের বাড়ি কুমারখালীর চর মহেন্দ্রপুর আসেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই পরিবারের অন্য কোনো সদস্যর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তের বাড়িসহ আশপাশের এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস