ঠাকুরগাঁওয়ে এক রোগীর চিকিৎসা দিয়ে ১৩ জন কোয়ারেন্টিনে
jugantor
ঠাকুরগাঁওয়ে এক রোগীর চিকিৎসা দিয়ে ১৩ জন কোয়ারেন্টিনে

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২০, ২২:১১:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেয়া এক নারী করোনায় আক্রান্ত জানার পর ৪ ডাক্তার ও ৯ জন নার্সকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আসা এক নারী গর্ভকালীন জটিলতা নিয়ে ১৪ এপ্রিল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ১৭ এপ্রিল তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়।

১৯ এপ্রিল ওই নারী হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান ও শহরের এক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার কাছে চিকিৎসা নেন। ওই চিকিৎসক তাকে বিভিন্ন টেস্টের পরামর্শ দিলে সেই রাতেই তিনি আবার হাসপাতালে আসেন ও চিকিৎসা নিয়ে শহরের বাড়িতে ফিরে যান।

২১ এপ্রিল জানা গেছে ওই নারী করোনায় আক্রান্ত। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন সন্ধ্যায় তার ঠিকানায় ছুটে যান। এর মধ্যে তারা লকডাউন উপেক্ষা করে পঞ্চগড়ে চাকলাহাট গ্রামে ওই নারীর বাবার বাড়ি চলে যান।

বিষয়টি পঞ্চগড়ের প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনকে জানালে তাকে খুঁজে মঙ্গলবার রাতেই রংপুরে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ চপল জানান, হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড জীবাণুমুক্ত করার জন্য রোগীদের সার্জারি ওয়ার্ডে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গাইনি ওয়ার্ডের ২ ডাক্তার, ৯ জন নার্স ও ওই নারীর সংস্পর্শে আসা মেডিসিন বিভাগের ২ চিকিৎসককে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের সবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ দিকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনও ওই নারীর সংস্পর্শে আসা ডাক্তার, টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে শনাক্ত করে কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়টি ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার নিশ্চিত করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে এক রোগীর চিকিৎসা দিয়ে ১৩ জন কোয়ারেন্টিনে

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২০, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেয়া এক নারী করোনায় আক্রান্ত জানার পর ৪ ডাক্তার ও ৯ জন নার্সকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা  থেকে আসা এক নারী গর্ভকালীন জটিলতা নিয়ে ১৪ এপ্রিল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ১৭ এপ্রিল তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়।

১৯ এপ্রিল ওই নারী হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান ও শহরের এক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার কাছে চিকিৎসা নেন। ওই চিকিৎসক তাকে বিভিন্ন টেস্টের পরামর্শ দিলে সেই রাতেই তিনি আবার হাসপাতালে আসেন ও চিকিৎসা নিয়ে শহরের বাড়িতে ফিরে যান।

২১ এপ্রিল জানা গেছে ওই নারী করোনায় আক্রান্ত। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন সন্ধ্যায় তার ঠিকানায় ছুটে যান। এর মধ্যে তারা লকডাউন উপেক্ষা করে পঞ্চগড়ে চাকলাহাট গ্রামে ওই নারীর বাবার বাড়ি চলে যান।

বিষয়টি পঞ্চগড়ের প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনকে জানালে তাকে খুঁজে মঙ্গলবার রাতেই রংপুরে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ চপল জানান, হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড জীবাণুমুক্ত করার জন্য রোগীদের সার্জারি ওয়ার্ডে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গাইনি ওয়ার্ডের ২ ডাক্তার, ৯ জন নার্স ও ওই নারীর সংস্পর্শে আসা মেডিসিন বিভাগের ২ চিকিৎসককে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের সবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ দিকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনও ওই নারীর সংস্পর্শে আসা ডাক্তার, টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে শনাক্ত করে কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়টি ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার নিশ্চিত করেছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস