রাঙ্গাবালীতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে অনাহারে ভুগছে অর্ধশতাধিক ভারসাম্যহীন
jugantor
রাঙ্গাবালীতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে অনাহারে ভুগছে অর্ধশতাধিক ভারসাম্যহীন

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৯ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৪৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গাবালীতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে অনাহারে ভুগছে অর্ধশতাধিক ভারসাম্যহীন
শুধু মুড়ি খেয়ে দিন যাপন করছে রাঙ্গাবালীর ভারসাম্যহীন এই নারী। ছবি: যুগান্তর

বৈশ্বিক মহামারী করোনায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মানুষেরা অনাহারে-অর্ধাহারে ভুগছে।

লকডাউন, সরকারি নির্দেশনা ও সামাজিক দূরত্ব না বোঝার কারণে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।

তাদের মাধ্যমেও উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
   
সোমবার বিকালে উপজেলার খালগোড়া বাজারের স্লুইসেট সংলগ্ন একটি দোকানের সামনে নারী কে(৪৫) ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করতে দেখা গেছে। গত ১০ দিন ধরে প্রায় অনাহারে ছিলেন ওই নারী।

উপজেলায় লকডাউনের হোটেল- রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন খাবারের দোকান বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে এসব ভারসাম্যহীন মানুষরা। করোনা ঝুঁকির কারণে কোনো বাড়িতেও গিয়ে খাবার চাইতে পারছে না তারা।

অনাহারে আর করোনা ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা সদরের বাহেরচর, খালগোড়া, পুলঘাট, মোল্লারবাজার, কোড়ালিয়া, নেতা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ঘোরাঘুরি করছে এসব ভারসাম্যহীনরা। কেউ কেউ সাধারণ মানুষের সংস্পর্শেও যাচ্ছে।

এ বিষয়ে এন্ট্রি করোনা ইউথ সোসাইটি রাঙ্গাবালীর উদ্যোক্তা আল আসাদ বলেন, করোনার আগে ভারসাম্যহীনদের মানবিক কারণেই খাওয়াতো অনেকেই। কিন্তু লকডাউনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে অন্তত দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) ডা. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষদের সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন। তারা এই মুহূর্তে করোনা ঝুঁকিমুক্ত নয়। তাই ঝুঁকি এড়াতে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখা যেতে পারে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নেই ভারসাম্যহীনদের খাবার দেয়ার বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আর সকলকে ভারসাম্যহীনদের কাছ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এতে সকলেই করোনা ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারবে বলে মনে করি।

রাঙ্গাবালীতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে অনাহারে ভুগছে অর্ধশতাধিক ভারসাম্যহীন

 রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৯ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাঙ্গাবালীতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে অনাহারে ভুগছে অর্ধশতাধিক ভারসাম্যহীন
শুধু মুড়ি খেয়ে দিন যাপন করছে রাঙ্গাবালীর ভারসাম্যহীন এই নারী। ছবি: যুগান্তর

বৈশ্বিক মহামারী করোনায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মানুষেরা অনাহারে-অর্ধাহারে ভুগছে।

লকডাউন, সরকারি নির্দেশনা ও সামাজিক দূরত্ব না বোঝার কারণে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।

তাদের মাধ্যমেও উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার বিকালে উপজেলার খালগোড়া বাজারের স্লুইসেট সংলগ্ন একটি দোকানের সামনে নারী কে(৪৫) ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করতে দেখা গেছে। গত ১০ দিন ধরে প্রায় অনাহারে ছিলেন ওই নারী।

উপজেলায় লকডাউনের হোটেল- রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন খাবারের দোকান বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে এসব ভারসাম্যহীন মানুষরা। করোনা ঝুঁকির কারণে কোনো বাড়িতেও গিয়ে খাবার চাইতে পারছে না তারা।

অনাহারে আর করোনা ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা সদরের বাহেরচর, খালগোড়া, পুলঘাট, মোল্লারবাজার, কোড়ালিয়া, নেতা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ঘোরাঘুরি করছে এসব ভারসাম্যহীনরা। কেউ কেউ সাধারণ মানুষের সংস্পর্শেও যাচ্ছে।

এ বিষয়ে এন্ট্রি করোনা ইউথ সোসাইটি রাঙ্গাবালীর উদ্যোক্তা আল আসাদ বলেন, করোনার আগে ভারসাম্যহীনদের মানবিক কারণেই খাওয়াতো অনেকেই। কিন্তু লকডাউনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে অন্তত দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) ডা. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষদের সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন। তারা এই মুহূর্তে করোনা ঝুঁকিমুক্ত নয়। তাই ঝুঁকি এড়াতে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখা যেতে পারে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নেই ভারসাম্যহীনদের খাবার দেয়ার বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আর সকলকে ভারসাম্যহীনদের কাছ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এতে সকলেই করোনা ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারবে বলে মনে করি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস