‘চিকিৎসকের নিরলস সেবায় আমি বেঁচে গিয়েছি’
jugantor
‘চিকিৎসকের নিরলস সেবায় আমি বেঁচে গিয়েছি’

  সৈয়দা রুখসানা জামান শানু, সৈয়দপুর (নীলফামারী)  

৩০ এপ্রিল ২০২০, ২২:৫৫:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালের স্টাফরা করোনা থেকে মুক্ত হওয়া যুবককে ফুলেল সংবর্ধনা দেয়

চিকিৎসকের নিরলস সেবায় আল্লাহতালা আমায় শান্তি দিয়েছেন, বেঁচে গিয়েছি আমি। ডাক্তারদের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।

এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন সৈয়দপুরে করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠা এক তরুণ।

গত ২০ দিন নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসার বুধবার তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের স্টাফরা তাকে ফুলেল সংবর্ধনা জানায়।

করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া ওই তরুণের বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা বকশিপাড়া গ্রামে। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি হোটেলে চাকরি করতেন। করোনা পরিস্থিতিতে হোটেলটি বন্ধ হয়ে ৪ এপ্রিল সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিনি কখনো অ্যাম্বুলেন্সে, কখনো পণ্যবাহী পিকআপে করে বাড়ি ফেরেন।

তরুণ জানান, এরই মধ্যে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। ৭ এপ্রিল আমার নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন। ৯ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজে আমার করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। ওইদিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন আমাদের এলাকার ২০টি বাড়ি লকডাউন করে দেয়। আমাকে নেয়া হয় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে চলে আমার পরিচর্যা।

কান্না জড়িত কণ্ঠে ওই তরুণ বলেন, হাসপাতালের জীবনটা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত দুর্বিষহ। সারাক্ষণ মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখেছি। বন্দি জীবন। কিন্তু যুদ্ধ করেছেন ডাক্তাররা। হাসপাতালের ডাক্তার নার্স আমাকে নিজের ভাইয়ের মতো সেবা দিয়েছেন। আমাকে নতুন জীবন দিয়েছেন তারা।

খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী জানান, করোনা আক্রান্ত তরুণ সুস্থ হয়ে ফিরেছেন এটা আমাদের কাছে পরম পাওয়া। এখনো তার পরিবারসহ এলাকার ২০টি বাড়ি লকডাউনে রয়েছে। এ সময় উপজেলা প্রশাসন থেকে তাদের খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়েছে। আমরা তাঁদের খোঁজ রাখছি।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও আরিফুল হক জানান, আমরা ওই তরুণকে সেবা দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করেছি । মহান আল্লাহ আমাদের সহায় ছিলেন। আমরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুনরায় দুবার তার নমুনা টেস্ট করেছি। দুবারই নেগেটিভ এসেছে। আমরা একজন সুস্থ মানুষ হিসেবে তাকে বিদায় দিয়েছি।

‘চিকিৎসকের নিরলস সেবায় আমি বেঁচে গিয়েছি’

 সৈয়দা রুখসানা জামান শানু, সৈয়দপুর (নীলফামারী) 
৩০ এপ্রিল ২০২০, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাসপাতালের স্টাফরা করোনা থেকে মুক্ত হওয়া যুবককে ফুলেল সংবর্ধনা দেয়
হাসপাতালের স্টাফরা করোনা থেকে মুক্ত হওয়া যুবককে ফুলেল সংবর্ধনা দেয়

চিকিৎসকের নিরলস সেবায় আল্লাহতালা আমায় শান্তি দিয়েছেন, বেঁচে গিয়েছি আমি। ডাক্তারদের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।

এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন সৈয়দপুরে করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠা এক তরুণ।

গত ২০ দিন নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসার বুধবার তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের স্টাফরা তাকে ফুলেল সংবর্ধনা জানায়।

করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া ওই তরুণের বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা বকশিপাড়া গ্রামে। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি হোটেলে চাকরি করতেন। করোনা পরিস্থিতিতে হোটেলটি বন্ধ হয়ে ৪ এপ্রিল সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিনি কখনো অ্যাম্বুলেন্সে, কখনো পণ্যবাহী পিকআপে করে বাড়ি ফেরেন।

তরুণ জানান, এরই মধ্যে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। ৭ এপ্রিল আমার নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন। ৯ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজে আমার করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। ওইদিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন আমাদের এলাকার ২০টি বাড়ি লকডাউন করে দেয়। আমাকে নেয়া হয় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে চলে আমার পরিচর্যা।

কান্না জড়িত কণ্ঠে ওই তরুণ বলেন, হাসপাতালের জীবনটা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত দুর্বিষহ। সারাক্ষণ মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখেছি। বন্দি জীবন। কিন্তু যুদ্ধ করেছেন ডাক্তাররা। হাসপাতালের ডাক্তার নার্স আমাকে নিজের ভাইয়ের মতো সেবা দিয়েছেন। আমাকে নতুন জীবন দিয়েছেন তারা।

খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী জানান, করোনা আক্রান্ত তরুণ সুস্থ হয়ে ফিরেছেন এটা আমাদের কাছে পরম পাওয়া। এখনো তার পরিবারসহ এলাকার ২০টি বাড়ি লকডাউনে রয়েছে। এ সময় উপজেলা প্রশাসন থেকে তাদের খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়েছে। আমরা তাঁদের খোঁজ রাখছি।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও আরিফুল হক জানান, আমরা ওই তরুণকে সেবা দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করেছি । মহান আল্লাহ আমাদের সহায় ছিলেন। আমরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুনরায় দুবার তার নমুনা টেস্ট করেছি। দুবারই নেগেটিভ এসেছে। আমরা একজন সুস্থ মানুষ হিসেবে তাকে বিদায় দিয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১