বিনে পয়সায় প্রতিদিন ৫০ জনের চুল কেটে দিচ্ছেন থাইল্যান্ডের এক যুবক!
jugantor
বিনে পয়সায় প্রতিদিন ৫০ জনের চুল কেটে দিচ্ছেন থাইল্যান্ডের এক যুবক!

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ মে ২০২০, ১৫:২৪:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চুল কাটা

করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই অনেক ভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু থাইল্যান্ডের এক হেয়ার স্টাইলিস্ট ভিন্ন পন্থা বেছে নিয়েছেন।

করোনা সংকটের কারণে গত একমাস ধরে বন্ধ থাইল্যান্ডের চুল কাটার সেলুনগুলো।

তাই করোনায় সেবা দিচ্ছেন এমন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনে পয়সায় চুল কেটে দিচ্ছেন তিনি। খবর ডয়েচে ভেলের।

খবরে বলা হয়, যেসব স্বাস্থ্যকর্মী সরাসরি করোনা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন, তাদের চুল কেটে দিতে পর্নসুপা হাতায়ং হাসপাতালে যাচ্ছেন। ব্যাংককের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে তাদের বিনে পয়সায় চুল কেটে দিচ্ছেন তিনি।

তবে কাজটা শুরু করার আগে বেশ দ্বিধায় ছিলেন তিনি। মানুষ কী মনে করবে! কিন্তু হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও কর্মীরা তার এ কাজকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন, তাতে তিনি মুগ্ধ।

প্রথম দিন একটি হাসপাতালে ৩০ জনের চুল ককেটে দেন পর্নসুপা। অন্যদিন আরেকটি হাসপাতালে ৫০ জনের চুল কাটেন।

এরপর থেকে করোনা রোগী আছে এমন বিভিন্ন হাসপাতালে যান তিনি। প্রতিদিন গড়ে ৫০ জনের চুল কাটেন। এ জন্য জনপ্রতি প্রায় ৫০০ বাথ খরচ করতে হয়।

তবে হাসপাতালে যাওয়ার সময় সব ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েই যান তিনি। প্রতিটা সরঞ্জাম জীবানুনাশক দিয়ে বার বার পরিষ্কার করেন।

গত এক মাস ধরে নিজের জমানো অর্থ দিয়েই সংসার চলছে তার। কিন্তু এই কাজটি তাকে আত্মতৃপ্তি দিচ্ছে বলে জানিয়ে পর্নসুপা বলেন, ডাক্তাররা তার কাজে দারুণ খুশি।

বিনে পয়সায় চুল কাটলেও স্টাইলে কোনো ফাঁক রাখছেন না তিনি।

তিরাপাত জিতপুনকুসন নামের এক চিকিৎসক জানান, মানবতার জন্য পর্নসুপা যে কাজ করছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটা কেবল চুল কাটা নয়, তার চেয়ে বেশি কিছু বলে মনে করেন তিনি।

প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত থাইল্যান্ডে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৫৪ জন। সংক্রমণ কম হওয়ায় খুব শিগগিরই লকডাউন উঠিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার।

বিনে পয়সায় প্রতিদিন ৫০ জনের চুল কেটে দিচ্ছেন থাইল্যান্ডের এক যুবক!

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ মে ২০২০, ০৩:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চুল কাটা
ফাইল ছবি

করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই অনেক ভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু থাইল্যান্ডের এক হেয়ার স্টাইলিস্ট ভিন্ন পন্থা বেছে নিয়েছেন।

করোনা সংকটের কারণে গত একমাস ধরে বন্ধ থাইল্যান্ডের চুল কাটার সেলুনগুলো। 

তাই করোনায় সেবা দিচ্ছেন এমন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনে পয়সায় চুল কেটে দিচ্ছেন তিনি। খবর ডয়েচে ভেলের। 

খবরে বলা হয়, যেসব স্বাস্থ্যকর্মী সরাসরি করোনা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন, তাদের চুল কেটে দিতে পর্নসুপা হাতায়ং হাসপাতালে যাচ্ছেন।  ব্যাংককের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে তাদের বিনে পয়সায় চুল কেটে দিচ্ছেন তিনি।

তবে কাজটা শুরু করার আগে বেশ দ্বিধায় ছিলেন তিনি। মানুষ কী মনে করবে! কিন্তু হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও কর্মীরা তার এ কাজকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন, তাতে তিনি মুগ্ধ।

প্রথম দিন একটি হাসপাতালে ৩০ জনের চুল ককেটে দেন পর্নসুপা। অন্যদিন আরেকটি হাসপাতালে ৫০ জনের চুল কাটেন। 

এরপর থেকে করোনা রোগী আছে এমন বিভিন্ন হাসপাতালে যান তিনি। প্রতিদিন গড়ে ৫০ জনের চুল কাটেন। এ জন্য জনপ্রতি প্রায় ৫০০ বাথ খরচ করতে হয়।

তবে হাসপাতালে যাওয়ার সময় সব ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েই যান তিনি। প্রতিটা সরঞ্জাম জীবানুনাশক দিয়ে বার বার পরিষ্কার করেন।

গত এক মাস ধরে নিজের জমানো অর্থ দিয়েই সংসার চলছে তার। কিন্তু এই কাজটি তাকে আত্মতৃপ্তি দিচ্ছে বলে জানিয়ে পর্নসুপা বলেন, ডাক্তাররা তার কাজে দারুণ খুশি।  

বিনে পয়সায় চুল কাটলেও স্টাইলে কোনো ফাঁক রাখছেন না তিনি। 

তিরাপাত জিতপুনকুসন নামের এক চিকিৎসক জানান, মানবতার জন্য পর্নসুপা যে কাজ করছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটা কেবল চুল কাটা নয়, তার চেয়ে বেশি কিছু বলে মনে করেন তিনি।

প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত থাইল্যান্ডে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৫৪ জন। সংক্রমণ কম হওয়ায় খুব শিগগিরই লকডাউন উঠিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস