নেত্রকোনা হাওরের ধান কাটা শেষপর্যায়ে, ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষীরা
jugantor
নেত্রকোনা হাওরের ধান কাটা শেষপর্যায়ে, ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষীরা

  কামাল হোসাইন, নেত্রকোনা  

০৪ মে ২০২০, ২০:০২:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। জেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় ৯৫ ভাগ জমির ধান কাটা হয়ে গেছে।

এখন বৃষ্টি বা আগাম বন্যা হলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কমে গেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাওর পাড়ের চাষীরা।

জেলা কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়। এর মধ্যে জেলার ছোটবড় ১৩৪টি হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে অর্ধেকের মতো জমি রয়েছে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১১ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৩ মেট্রিক টন। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ওই সব জমির পাকা বোরো ধান কাটতে শুরু করেন কৃষকরা।

খালিয়াজুরীর পুরানহাটি গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হাওরে এখন ধানকাটা প্রায় শেষের দিকে। প্রান্তিক কৃষকেরা মহাজনসহ বিভিন্নভাবে ঋণ নিয়ে ফসল ফলান। ঋণ পরিশোধের জন্য তারা দ্রুত ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন। এলাকার বাজারে এখন প্রতি মণ ধান সর্ব্বোচ ৬০০ টাকা থেকে ৬৬৫ টাকা। এই দরে ধান বিক্রি করলে কৃষকের লোকসান হবে।

এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন বলেন, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান সংগ্রহের অভিযান শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে মোহনগঞ্জে ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে অন্য উপজেলাগুলোর তালিকা পেলে দ্রুত ধান সংগ্রহ অভিযান করা হবে।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি অধিদফতরের উপপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান জানান, হাওরাঞ্চলের ধান কাটা শেষ পর্যায়ে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই সব এলাকায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়ে যাবে। এখন আর বন্যার ঝুঁকি নেই।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, এবছর বোরোর ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা ঘরে ফসল তুলতে পেরেছে। কৃষি বিভাগকে বলা হয়েছে দ্রুত কৃষকদের তালিকা করে জমা দেয়ার জন্য। তালিকা পেলে দ্রুত ধান কেনা শুরু হবে।

নেত্রকোনা হাওরের ধান কাটা শেষপর্যায়ে, ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষীরা

 কামাল হোসাইন, নেত্রকোনা 
০৪ মে ২০২০, ০৮:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। জেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় ৯৫ ভাগ জমির ধান কাটা হয়ে গেছে।

এখন বৃষ্টি বা আগাম বন্যা হলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কমে গেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাওর পাড়ের চাষীরা।

জেলা কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়। এর মধ্যে জেলার ছোটবড় ১৩৪টি হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে অর্ধেকের মতো জমি রয়েছে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১১ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৩ মেট্রিক টন। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ওই সব জমির পাকা বোরো ধান কাটতে শুরু করেন কৃষকরা।

খালিয়াজুরীর পুরানহাটি গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হাওরে এখন ধানকাটা প্রায় শেষের দিকে। প্রান্তিক কৃষকেরা মহাজনসহ বিভিন্নভাবে ঋণ নিয়ে ফসল ফলান। ঋণ পরিশোধের জন্য তারা দ্রুত ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন। এলাকার বাজারে এখন প্রতি মণ ধান সর্ব্বোচ ৬০০ টাকা থেকে ৬৬৫ টাকা। এই দরে ধান বিক্রি করলে কৃষকের লোকসান হবে।

এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন বলেন, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান সংগ্রহের অভিযান শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে মোহনগঞ্জে ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে অন্য উপজেলাগুলোর তালিকা পেলে দ্রুত ধান সংগ্রহ অভিযান করা হবে।
 
এ ব্যাপারে জেলা কৃষি অধিদফতরের উপপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান জানান, হাওরাঞ্চলের ধান কাটা শেষ পর্যায়ে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই সব এলাকায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়ে যাবে। এখন আর বন্যার ঝুঁকি নেই।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, এবছর বোরোর ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা ঘরে ফসল তুলতে পেরেছে। কৃষি বিভাগকে বলা হয়েছে দ্রুত কৃষকদের তালিকা করে জমা দেয়ার জন্য। তালিকা পেলে দ্রুত ধান কেনা শুরু হবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস