বোরহানউদ্দিনে ১২০০ হেক্টর জমির রবিশস্যে পচন, দিশেহারা কৃষক

  বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি ০৫ মে ২০২০, ১৯:০৮:০৪ | অনলাইন সংস্করণ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে টানা ১০ দিনের বৃষ্টিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর রবিশস্যে পচন ধরেছে। হালকা রোদ উঠলেও পচন ঠেকানোর সব আশা শেষ। এতে ধার-দেনায় জর্জরিত ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নেয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

রবিশস্যের মধ্যে মুগ ডাল, ফেলেন ডাল, মরিচ, বাদাম, ভুট্টাও মৌসুমী সবজির পচনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত ফসল কত শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা হচ্ছে। তবে কৃষকরা বলছেন, শুধু সর্বোচ্চ ১১-১৫ শতাংশ ফসল টিকতে পারে। অন্যান্য ফসলের শিকড় পচে ইতিমধ্যেই গাছ মরে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত শস্যের মধ্যে ৪২০ হেক্টর মুগ ডাল, ২৩২ হেক্টর ফেলেন ডাল, ২১২ হেক্টর মরিচ, ২২৮ হেক্টর বাদাম, ৬২ হেক্টর ভুট্টা, ১ হেক্টর সূর্যমুখী ও মৌসুমী সবজি ৫৭ হেক্টর। এর বাইরে অনেকের শখের সয়াবিন তেলের মৌসুমী ফসলও আছে।

উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চাষী মো. সিডু, আবু তাহের, পল্লব দে, কানুলাল দে, বড়মানিকা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আ. শহীদ, বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের যাদব চন্দ্র দে জানান, সব ফসল পানিতে ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও ফসলের খেত ৩-৪ ইঞ্চি পানির নিচে নিমজ্জিত। কোনো ফসল পাবার আশা নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানান, ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক হরলাল মধু উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে কিছু করার থাকবে না।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত