বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত শুনে পলায়নকারীর স্ত্রী-ছেলেও আক্রান্ত
jugantor
বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত শুনে পলায়নকারীর স্ত্রী-ছেলেও আক্রান্ত

  বগুড়া ব্যুরো  

০৬ মে ২০২০, ১৯:৪৭:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের খবর পেয়ে গ্রামের বাড়িতে আত্মগোপনকারী ওষুধ কোম্পানির স্ত্রী-ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।

তিনি শাজাহানপুরের ফুলতলার ভাড়া বাড়ি থেকে ছেলেকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি সদরের শাখারিয়া গ্রামের বাড়িতে চলে যান।

মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে ওই শিশু ছাড়াও শহরের সেউজগাড়ি এলাকার এক ব্যাংকারও (৫৮) আক্রান্ত হয়েছেন।

এ নিয়ে জেলায় গত কয়েকদিনে মোট ২৩ জন আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এ তথ্য দিয়েছেন।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, ঢাকা থেকে আসা ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তার ১২ বছর বয়সী ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সদরের শেখেরকোলার বাড়িতে আত্মগোপন করেন। পরবর্তীকালে তার স্ত্রী বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের সিনিয়র নার্স ও ছেলের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। দু'দিন আগে ওই নার্স করোনা পজিটিভ হন। এরপর মঙ্গলবার পাওয়া রিপোর্টে ওই দম্পতির ছেলেও আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্তমানে ওই নার্স শাজাহানপুরের ফুলতলার ভাড়া বাড়িতে সঙ্গনিরোধ অবস্থায় আছেন। ওই বাড়িসহ আশপাশের ৫ বাড়ি লকডাউন করে লাল পতাকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া শেখেরকোলার বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িও লকডাউন করা হয়। ওই বাড়িতে ওই বিক্রয় প্রতিনিধি ও ছেলে সঙ্গনিরোধ অবস্থায় আছেন।

বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত শুনে পলায়নকারীর স্ত্রী-ছেলেও আক্রান্ত

 বগুড়া ব্যুরো 
০৬ মে ২০২০, ০৭:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের খবর পেয়ে গ্রামের বাড়িতে আত্মগোপনকারী ওষুধ কোম্পানির স্ত্রী-ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। 

তিনি শাজাহানপুরের ফুলতলার ভাড়া বাড়ি থেকে ছেলেকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি সদরের শাখারিয়া গ্রামের বাড়িতে চলে যান। 

মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে ওই শিশু ছাড়াও শহরের সেউজগাড়ি এলাকার এক ব্যাংকারও (৫৮) আক্রান্ত হয়েছেন। 

এ নিয়ে জেলায় গত কয়েকদিনে মোট ২৩ জন আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এ তথ্য দিয়েছেন।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, ঢাকা থেকে আসা ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তার ১২ বছর বয়সী ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সদরের শেখেরকোলার বাড়িতে আত্মগোপন করেন। পরবর্তীকালে তার স্ত্রী বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের সিনিয়র নার্স ও ছেলের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। দু'দিন আগে ওই নার্স করোনা পজিটিভ হন। এরপর মঙ্গলবার পাওয়া রিপোর্টে ওই দম্পতির ছেলেও আক্রান্ত হয়েছেন। 

বর্তমানে ওই নার্স শাজাহানপুরের ফুলতলার ভাড়া বাড়িতে সঙ্গনিরোধ অবস্থায় আছেন। ওই বাড়িসহ আশপাশের ৫ বাড়ি লকডাউন করে লাল পতাকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া শেখেরকোলার বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িও লকডাউন করা হয়। ওই বাড়িতে ওই বিক্রয় প্রতিনিধি ও ছেলে সঙ্গনিরোধ অবস্থায় আছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন