ঈদে বন্ধ থাকছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব বিপণি বিতান
jugantor
ঈদে বন্ধ থাকছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব বিপণি বিতান

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

০৭ মে ২০২০, ২০:৪৪:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্ক ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের পর এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপণী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর ফলে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কোনো বিপণী বিতান খুলবে না। যদিও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনায় গত ২৫ মার্চ থেকেই জেলার সব বিপণী বিতান বন্ধ রয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেই আগামী ১০ মে থেকে সারা দেশের বিপণী বিতানগুলো খুলে দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান খোলা রাখতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিপণী বিতানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈঠকে বসেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। এতে জেলা শহরের বিপণী বিতানগুলোর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ডাকা হয়।

এ বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সব বিপণী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে শহরের সিটি সেন্টার, এফএ টাওয়ার, পৌর আধুনিক সুপার মার্কেট, আশিক প্লাজা ও হকার্স মার্কেটসহ ছোট-বড় শপিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কোর্ট রোডের সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এম. সাইদুজ্জামান আরিফ বলেন, বিপণী বিতান খোলার বিষয়য়ে দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। এতে বিভিন্ন বিপণী বিতানের ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সরকারিভাবে ১০ মে থেকে মার্কেট খোলা রাখার কথা বলা হলেও আমরা মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমরা সব বিপণী বিতানের নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া এখন বিপণী বিতান খুললেও মানুষজন আসবে কি না সেটি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সব মিলিয়ে বিপণী বিতান খুললে আমাদের লোকসানই হবে বলে জানান তিনি।

ঈদে বন্ধ থাকছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব বিপণি বিতান

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
০৭ মে ২০২০, ০৮:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্ক ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের পর এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপণী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর ফলে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কোনো বিপণী বিতান খুলবে না। যদিও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনায় গত ২৫ মার্চ থেকেই জেলার সব বিপণী বিতান বন্ধ রয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেই আগামী ১০ মে থেকে সারা দেশের বিপণী বিতানগুলো খুলে দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান খোলা রাখতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিপণী বিতানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈঠকে বসেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। এতে জেলা শহরের বিপণী বিতানগুলোর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ডাকা হয়।

এ বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সব বিপণী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে শহরের সিটি সেন্টার, এফএ টাওয়ার, পৌর আধুনিক সুপার মার্কেট, আশিক প্লাজা ও হকার্স মার্কেটসহ ছোট-বড় শপিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কোর্ট রোডের সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এম. সাইদুজ্জামান আরিফ বলেন, বিপণী বিতান খোলার বিষয়য়ে দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। এতে বিভিন্ন বিপণী বিতানের ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সরকারিভাবে ১০ মে থেকে মার্কেট খোলা রাখার কথা বলা হলেও আমরা মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমরা সব বিপণী বিতানের নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া এখন বিপণী বিতান খুললেও মানুষজন আসবে কি না সেটি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সব মিলিয়ে বিপণী বিতান খুললে আমাদের লোকসানই হবে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস